মানবতাবিরোধী আপরাধের দায়ে আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদের ফাঁসি কার্যকর করার পর জামায়াতে ইসলামীর ডাকা হরতালে সারা দেশে ব্যাপক নিরাপত্তা নেওয়া হয়েছে।

দিনের শুরুতে ঢাকার রাস্তায় ব্যক্তিগত গাড়ির পাশাপাশি গণপরিবহনের সংখ্যাও কিছুটা কম দেখা গেল। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কিছুটা বেড়েছে গাড়ির চাপ। অবশ্য নিরাপত্তার কারণে দূর পাল্লার বাস চলাচল বন্ধ রেখেছেন মালিকরা।

কল কারখানা, অফিস-আদালতে অন্য দিনের মতোই কাজ শুরু হলেও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো একেবারে শুন্য। সকালে স্বাভাবিকভাবেই কাজে বেরিয়েছেন কর্মজীবী মানুষ।

ফাঁসি কার্যকরের কারণে গত কয়েক দিন ধরেই ঢাকাসহ সারা দেশে কঠোর নিরাপত্তা বজায় রেখেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। হরতালের সকালেও রাস্তার মোড়ে মোড়ে সশস্ত্র পুলিশ দেখা গেছে। টহলে রয়েছেন র‌্যাব সদস্যরাও।

উল্লেখ্য, একাত্তরে মানবতা বিরোধি আপরাধের দায়ে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সাকা চৌধুরীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয় রোববার প্রথম প্রহরে।

এর পরপরই সংবাদমাধ্যমে বিবৃতি পাঠিয়ে সোমবার সারা দেশে সকাল-সন্ধ্যা হরতালের এই বার্তা দেয় জামায়াত ইসলাম।

ওই বার্তায় বলা হয়, “বর্তমান স্বৈরাচারী জালেম সরকার এ রকম একজন সৎ, আল্লাহভীরু ও যোগ্য জাতীয় নেতাকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করায় জাতি গভীরভাবে শোকাহত ও ক্ষুব্ধ।”

এর আগে যুদ্ধাপরাধ মামলায় ট্রাইব্যুনাল ও আপিল বিভাগে জামায়াতের অন্যসব নেতার রায় ও দণ্ড কার্যকরের পরও হরতাল করেছে দলটি।

এমআর