লিবিয়ার বেনগাজি শহরের পশ্চিমাঞ্চলীয় কানফুজে এলাকা থেকে সশস্ত্র ব্যক্তিরা তিন বাংলাদেশিকে অপহরণ করে নিয়ে গেছে। লিবিয়ার নিরাপত্তা বাহিনীর একজন কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন।
ইন্টারনেট ভিত্তিক বার্তা সংস্থা আল-ইয়াওম আল-সাবাহ’র উদ্ধৃতি দিয়ে ইরানের বার্তা সংস্থা ইরনা এ খবর দিয়েছে। খবরে আরো বলা হয়েছে, লিবিয়ার নিরাপত্তা বাহিনী অপহরণকারীদের ধরার জন্য তাদের পিছু নিলেও শেষ পর্যন্ত ধরতে পারেনি।
লিবিয়ার দারানে ও বেনগাজি শহরে সবচেয়ে বেশি উত্তেজনা ও সহিংস ঘটনা ঘটছে এবং এ দু’টি শহর কার্যত উগ্র গোষ্ঠীগুলোর অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে।
সেনাবাহিনী বেনগাজি শহরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করলেও সেখানে এখনো নিরাপত্তাহীনতা ও অশান্ত পরিবেশ বিরাজ করছে।
সূত্রটি আরো জানিয়েছে, ২০১১ সালের অক্টোবরে মুয়াম্মার গাদ্দাফি ক্ষমতা থেকে উৎখাত ও নিহত হওয়ার পর থেকে সেদেশে নিরাপত্তাহীনতা ও সহিংস ঘটনা বেড়েই চলেছে।
[b]ঢাকা, ২৫ ফেব্রুয়ারি (টাইমনিউজবিডি.কম) // এএম
[/b]
লিবিয়া থেকে ৩ বাংলাদেশীকে অপহরণ
লিবিয়ার বেনগাজি শহরের পশ্চিমাঞ্চলীয় কানফুজে এলাকা থেকে সশস্ত্র ব্যক্তিরা তিন বাংলাদেশিকে অপহরণ করে নিয়ে গেছে। নিরাপত্তা বাহিনীর একজন কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন।
লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭৪ জন
লিবিয়া থেকে স্বেচ্ছায় দেশে ফিরলেন ১৭৪ বাংলাদেশি নাগরিক। তাদের মধ্যে অনেকে দেশটিতে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
পূর্ব ভূমধ্যসাগরে তুরস্ক-লিবিয়া চুক্তি, ক্ষুব্ধ ইসরাইল
পূর্ব ভূমধ্যসাগরে তুরস্ক ও লিবিয়ার মধ্যে সামুদ্রিক সীমা নির্ধারণসংক্রান্ত চুক্তি অনুমোদনের ঘটনায় নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। লিবিয়ার প্রতিনিধি পরিষদের এ সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ইসরাইল। অন্যদিকে, চুক্তিটিকে স্বাগত জানিয়েছে তুরস্ক। গ্রিস, সাইপ্রাস ও মিসরও এর বিরোধিতা করেছে।
প্রথমে নেপাল পরে লিবিয়া হয়ে নৌকায় ইতালি নিতো চক্রটি
ইউরোপে নেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বাংলাদেশিদের কাছ থেকে ২০ থেকে ২৫ লাখ টাকা পর্যন্ত নিত আন্তর্জাতিক মানবপাচার চক্রটি। এরপর তাদের প্রথমে এশিয়ার দেশ নেপালে পাঠানো হতো। সেখান থেকে লিবিয়া নিয়ে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ নৌপথে ইতালি পাঠানোর চেষ্টা করা হতো। দীর্ঘদিন ধরে এভাবে মানবপাচার ও প্রতারণা করে আসছিল চক্রটি।
দেশে ফিরলেন লিবিয়ায় বন্দি থাকা ১৭৪ বাংলাদেশি
লিবিয়ার বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে দীর্ঘদিন আটক থাকার পর আরও ১৭৪ বাংলাদেশি নাগরিক দেশে ফিরেছেন। বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগ এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহযোগিতায় বেনগাজীর গ্যানফুদা ডিটেনশন সেন্টার থেকে তাদের নিরাপদ ও মানবিকভাবে দেশে প্রত্যাবাসন করা হয়।
লিবিয়া থেকে ফিরলেন আরো ১৭৪ বাংলাদেশি
আফ্রিকার দেশ লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপলীর তাজুরা ডিটেনশন সেন্টার (আটক শিবির) থেকে ১৭৪ জন বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন। বাংলাদেশ দূতাবাস, লিবিয়ার ধারাবাহিক প্রচেষ্টা ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহযোগিতায় দেশে ফিরছেন তারা। এর মধ্যে ১৪ জন শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন।
















