[b]ঢাকা:[/b] নির্বাচন কমিশনের হলফনামা অনুযায়ী সদ্য গঠিত ৪৯ মন্ত্রিসভার কমপক্ষে ৬ মন্ত্রীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রয়েছে। গত পাঁচ বছরে আওয়ামী লীগের অনেক নেতার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা রাজনৈতিক বিবেচনায় প্রত্যাহার করা হলেও গুরুত্বপূর্ণ মামলা হওয়ায় এগুলো প্রত্যাহার করা হয়নি।
হলফনায় অনুসন্ধান করে জানা গেছে, ৬ মন্ত্রীর মধ্যে ৪ জনের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রয়েছে। তারা হলেন,বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ,গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন,তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু,পরিবেশ ও বনমন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু। এর মধ্যে আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ৩টি দুর্নীতির মামলা রয়েছে এবং বাকি ৩ জনের বিরুদ্ধে একটি করে মামলা রয়েছে।
এছাড়াও পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মশিউর রহমান রাঙ্গা এবং বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজমের বিরুদ্ধেও ফৌজদারি মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে।
মন্ত্রিসভার বাকি ২৩ সদস্যদের মধ্যে ১৫ জন অতীতে মামলার সম্মুখিন হয়েছেন। তবে বর্তমানে তাদের বিরুদ্ধে কোন মামলা নেই। বাকি ৮ জন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে কোন রকম কোন মামলা নেই।
এদিকে শপথ নেওয়া প্রতিমন্ত্রীদের মধ্যে মসিউর রহমান রাঙ্গা,মির্জা আজম,মুজিবুল হক,নারায়াণ চন্দ্র চন্দ্,বীরেন শিকদার এবং জুনায়েদ আহমেদ পলকের বিরুদ্ধে অতীতে মামলা ছিল,কিন্তু বর্তমানে তাদের বিরুদ্ধে কোন মামলা নেই। বাকি ১১ জন প্রতিমন্ত্রীদের বিরুদ্ধে অতীতে কোন ধরনের মামলা ছিল না।
হলফনামা অনুযায়ী দুজন উপ-মন্ত্রী আব্দুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব ও আরিফ খান জয়ের বিরুদ্ধে বর্তমানে কোন ধরনের মামলা নেই। যদিও পূর্বে আব্দুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব এর বিরুদ্ধে মামলা ছিল।
হলফনামায় মন্ত্রিসভার অনেক সদস্যরা উল্লেখ করেছেন যে, তাদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে দায়েরকৃত বেশ কিছু মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে,তা না হলে তাদের হলফনামায় আরও মামলার উল্লেখ থাকত।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী রাজনৈতিক উদ্দেশ্য মামলা প্রত্যাহার কমিটি এখন পর্যন্ত ৭১০১ মামলা প্রত্যাহার করেছে। গত চার বছরে ১১ হাজার ১১৩ মামলা প্রত্যাহার আবেদনের প্রেক্ষিতে মোট ৩৪৫টি দুর্নীতির মামলা প্রত্যাহার করেছে সংশ্লিষ্ট কমিটি।
এর আগে বিগত বছরের আগস্ট মাসে আরও নতুন করে ৭২টি মামলা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। এই মামলাগুলোর বেশির ভাগই ২০০১-২০০৬ সালে তৎকালীন বিরোধীদল আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের রাজনৈতিকভাবে হেয় ও হয়রানী করার জন্য দায়ের করা হয়েছিল।
মন্ত্রিসভার ৬ সদস্য ফৌজদারি মামলার আসামী
নির্বাচন কমিশনের হলফনামা অনুযায়ী সদ্য গঠিত ৪৯ মন্ত্রিসভার কমপক্ষে ৬ মন্ত্রীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রয়েছে।
শ্রমিক আন্দোলন মোকাবিলায় অতিরিক্ত বল প্রয়োগ না করার সিদ্ধান্ত সরকারের
পোশাক শ্রমিকদের টানা কয়েক দিনের আন্দোলন, সড়ক অবরোধ ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে প্রয়োজনের অতিরিক্ত বল প্রয়োগ না করার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে শ্রমিকদের ন্যায্য দাবির বিষয়ে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে মজুরি বোর্ড গঠনের পর প্রথম সভাও অনুষ্ঠিত হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে শ্রমিকদের কর্মস্থলে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
‘শিল্পাঞ্চলে অস্থিরতার জন্য সরকারের অপরিপক্ব সিদ্ধান্ত দায়ী’
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) রাজনৈতিক পর্ষদের সদস্য আব্দুল হান্নান মাসউদ বলেছেন, দেশের শিল্পাঞ্চলগুলোতে যে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তার জন্য সরকারের অপরিকল্পিত ও অপরিপক্ব সিদ্ধান্ত দায়ী। শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করার পাশাপাশি শিল্পকারখানার মালিক ও শ্রমিকদের সঙ্গে আলোচনা করে সংকট সমাধান করুন।
শ্রমিক অসন্তোষকে পুঁজি করে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা চলছে: রিজভী
শ্রমিক অসন্তোষকে কাজে লাগিয়ে সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন মহল ষড়যন্ত্র করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি দাবি করেন, পরাজিত শক্তি শ্রমিকদের ভুল বুঝিয়ে রাস্তায় নামানোর চেষ্টা করছে। তবে এসব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে গণতন্ত্রের ভিত্তি মজবুত করতে সরকার কাজ করছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ শ্রমিকদের বিক্ষোভে কিছু শিল্পমালিক,সাবেক এমপি-মন্ত্রীরাও জড়িত
পোশাকশ্রমিকদের চলমান বিক্ষোভকে ঘিরে অস্থিরতা তৈরির অভিযোগ উঠেছে কয়েকজন শিল্পমালিকের বিরুদ্ধে। তাদের মধ্যে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা রয়েছেন। এ ছাড়া সাবেক সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রীরাও এতে জড়িত বলে দাবি করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
আমুসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল
চব্বিশের জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান চলাকালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক মন্ত্রী আমির হোসেন আমুসহ কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ফরমাল চার্জ (আনুষ্ঠানিক অভিযোগ) দাখিল করা হয়েছে।
















