কেবল জঙ্গিবাদের উত্থানের কারণে বাংলাদেশের মানবাধিকার হুমকির মধ্যে রয়েছে। জঙ্গিবাদকে নির্মূল করাই এখন দেশের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান।
শনিবার র্যাডিসন হোটেলে বাংলাদেশ সেন্টার ফর পিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট আয়োজিত ‘জঙ্গিবাদের হুমকি : বাংলাদেশ ভাবনা’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
তবে কেবল বিচারবর্হিভূত হত্যাকাণ্ড ও গুমের মাধ্যমে জঙ্গিবাদ নির্মূল সম্ভব না বলেও মত জানান জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান।
আলোচনা সভায় সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি আমীর-উল ইসলাম বলেন, কেবল বাংলাদেশের দৃষ্টিকোণ থেকে জঙ্গিবাদকে দেখলে ভুল হবে। তাদের উত্থানকে দেখতে হবে সমগ্র বিশ্বের আলোকে। বাংলাদেশে এ নিয়ে কোন ধরনের গবেষণা নেই।
ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবির বলেন, জঙ্গিবাদের গ্লোবাল নেটওয়ার্ক সম্পর্কে না জানলে বাংলাদেশের জঙ্গিবাদের ব্যপ্তির ব্যাপারে সঠিক তথ্য জানা যাবে না।
বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামী থাকলে ‘জঙ্গিবাদের চাষ’ হবে দাবি করে এই দলটিকে নিষিদ্ধ করার দাবি জানান তিনি।তিনি বলেন, জঙ্গিবাদ ইস্যুতে কেবল ব্লেইম গেইম দেয়া ঠিক হবে না। আল কায়েদা দমনের কথা বলে বিরোধী দল দমনের চেষ্টা করা হচ্ছে এমন দাবিকরে বরং আল কায়েদাকে উৎসাহিত করা হবে।
সাবেক সেনাপ্রধান কেএম সফিউল্লাহ বলেন, ধর্মের ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে জঙ্গিবাদের উত্থান ঘটানো হয়।
নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, সুশাসন নিশ্চিত করা না গেলে জঙ্গিবাদ নির্মূল করা যাবে না। কেবল স্থানিক কালিক আপতিক স্বার্থের কথা বিবেচনা করলে এটি নির্মূল দুঃসাধ্য।
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড জঙ্গিবাদ নির্মূল করতে পারবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
[b]ঢাকা, ২২ ফেব্রুয়ারি (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেআই
[/b]
জঙ্গিবাদ নির্মূল করাই দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মিজানুর রহমান
কেবল জঙ্গিবাদের উত্থানের কারণে বাংলাদেশের মানবাধিকার হুমকির মধ্যে রয়েছে। জঙ্গিবাদকে নির্মূল করাই এখন দেশের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে নাগরিকদের ৬ দফা
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, বিচারব্যবস্থা ও মানবাধিকার সুরক্ষা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে ছয় দফা দাবি তুলে ধরেছেন শতাধিক নাগরিক। তাদের অভিযোগ, দখল-চাঁদাবাজির বিস্তার, মানবাধিকার সুরক্ষার আইনি ভিত্তি দুর্বল হওয়া এবং বিচারবহির্ভূত পদক্ষেপের দিকে ঝোঁকের কারণে রাষ্ট্রীয় গুম, খুন ও নিপীড়নের পুরোনো ব্যবস্থা ফিরে আসার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
২৪ ঘণ্টার বেশি কাউকে আটক রেখে গ্রেপ্তার না দেখালে ‘গুম’ হিসেবে গণ্য হবে
চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেছেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ২৪ ঘণ্টার বেশি কাউকে আটক রেখে গ্রেপ্তার না দেখালে ও আইনি লড়াইয়ের সুযোগ না দিলে অতিরিক্ত সময়টুকু ‘গুম’ হিসেবে গণ্য হবে।
দুর্বল জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিলের প্রতিবাদে বিরোধী দলের ওয়াকআউট
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে জারি করা জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ বাতিল করে নতুন করে দুর্বল আইন পাশের জন্য জাতীয় সংসদে উত্থাপন করায় জাতীয় সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছে বিরোধী দল।
গ্রেপ্তারের ক্ষমতা পাচ্ছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন
জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে গ্রেপ্তারের ক্ষমতা দেওয়ার সুপারিশ করেছে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল, ২০২৬’-এর খসড়ায় পাঁচ জায়গায় পরিবর্তন এনে সংশোধিত আকারে বিলটি সংসদে পাসের সুপারিশ করেছে কমিটি।
গুম প্রতিরোধ বিল সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি থেকে বিরোধী দলের ওয়াকআউট
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়–সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল নিয়ে আলোচনায় অংশ নেননি বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। আজ রোববার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনে কমিটির বৈঠক থেকে তাঁরা ওয়াকআউট করেছেন। এর আগে সকালে আইন মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল নিয়েও আলোচনায় অংশ নেওয়া থেকে বিরত থাকেন বিরোধী দলের সদস্যরা।
















