সড়ক সংস্কারের দাবিতে যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের গাড়ি আটকে বিক্ষোভ করেছে স্থানীয় জনতা। পরে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের হস্তক্ষেপে রাস্তা থেকে সরে দাঁড়ান বিক্ষোভকারীরা।
বুধবার বেলা পৌনে আনুমানিক ১২টায় সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে এ ঘটনা ঘটে।
যোগাযোগমন্ত্রী বুধবার সকালে বেহাল সিলেট-কোম্পানীগঞ্জ সড়ক পরিদর্শনে যান। মন্ত্রী কোম্পানীগঞ্জ আসছেন শুনে টুকেরবাজারে জড়ো হন স্থানীয় লোকজন। মন্ত্রীর গাড়ি পৌঁছার আগে সেখানে পৌঁছায় সাংবাদিকদের গাড়ি। বিক্ষুব্ধ জনতা প্রথমে আটকান সাংবাদিকদের গাড়ি। সাংবাদিকদের কাছে তুলে ধরেন রাস্তার জন্য তাদের দুর্দশার কথা।
এর মিনিট পাঁচেক পরই সেখানে উপস্থিত হয় যোগাযোগমন্ত্রীর গাড়ি। এরপরই লোকজন রাস্তায় নেমে এসে মন্ত্রীর গাড়ি আটকান। এসময় মন্ত্রী গাড়ির জানালা খুলে উপস্থিত লোকজনের সাথে কথা বলেন।
মন্ত্রীকে জানান, গত ১৫ বছর ধরে বেহাল এই রাস্তার জন্য তারা দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। ভাঙা রাস্তার জন্য প্রতিদিনই এই সড়কে দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে।
মন্ত্রীকে কাছে পেয়ে স্থানীয় লোকজনের যেন দুঃখ বলা শেষ হচ্ছিল না।
পরে স্থানীয় গণমান্য ব্যক্তি ও মুরুব্বিরা বিক্ষুব্ধ জনতাকে সরিয়ে নিলে মন্ত্রীর গাড়ি সামনের দিকে অগ্রসর হয়।
[b]ঢাকা, ১৪ মে (টাইমনিউজবিডি.কম) // এনএস[/b]
যোগাযোগমন্ত্রীর গাড়ি আটকে সড়ক সংস্কারে বিক্ষোভ
সড়ক সংস্কারের দাবিতে যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের গাড়ি আটকে বিক্ষোভ করেছে স্থানীয় জনতা। পরে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের হস্তক্ষেপে রাস্তা থেকে সরে দাঁড়ান বিক্ষোভকারীরা। বুধবার বেলা পৌনে আনুমানিক ১২টায় সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে এ ঘটনা ঘটে। যোগাযোগমন্ত্রী
উপনির্বাচনে ভোট কারচুপির অভিযোগে বিক্ষোভের ডাক ১১ দলীয় জোটের
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ব্যাপক অনিয়ম, কারচুপি, পোলিং এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া এবং প্রধান নির্বাচনি এজেন্টদের ওপর সন্ত্রাসী হামলার অভিযোগ তুলেছে ১১ দলীয় ঐক্যজোট। এসব অভিযোগে নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করে শনিবার বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশের ঘোষণা দিয়েছে জোটটি।
গণমাধ্যমে রাষ্ট্রীয় অর্থায়নের পরিকল্পনার বিরুদ্ধে চেক প্রজাতন্ত্রে ব্যাপক বিক্ষোভ
চেক প্রজাতন্ত্রে রাষ্ট্রীয় অর্থায়নে পরিচালিত গণমাধ্যমের অর্থায়নব্যবস্থা পরিবর্তনের সরকারি পরিকল্পনার প্রতিবাদে রাজপথে নেমেছেন হাজার হাজার মানুষ। তাদের অভিযোগ, এই উদ্যোগের মাধ্যমে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা খর্ব করার চেষ্টা করছে সরকার।
বিক্ষোভ মোকাবিলায় ফ্রান্সজুড়ে ৭০ হাজার পুলিশ মোতায়েন
ফ্রান্সে চলমান বিক্ষোভ ও সহিংসতা মোকাবিলায় দেশজুড়ে ৭০ হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন করেছে প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সরকার। শনিবার (২৪ অক্টোবর) বিক্ষোভকারীদের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রাজধানী প্যারিসসহ বিভিন্ন শহরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ, অশ্বারোহী ইউনিট, হেলিকপ্টার, ড্রোন, সাঁজোয়া যান ও জলকামান প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
ফ্রান্স ও ইতালিতে বিক্ষোভে ভাঙচুর করলে দায় নিতে হবে অভিভাবকদের
ফ্রান্স ও ইতালিতে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, জ্বালানির সংকট এবং সরকারি ব্যয় কমানোর পরিকল্পনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। এসব বিক্ষোভে ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটছে। এতে জড়িত তরুণদের অভিভাবকদের আর্থিক দায়বদ্ধতা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে দুই দেশের সরকার। ইতালিতে এ বিষয়ে নতুন পদক্ষেপ অনুমোদন করা হয়েছে। ফ্রান্সেও একই ধরনের একটি খসড়া আইন নিয়ে আলোচনা হবে ২৭ অক্টোবর।
ফ্রান্সে বিক্ষোভ দমনে সেনাবাহিনী মোতায়েন
ফ্রান্সে নতুন করে বিক্ষোভ ও সহিংসতার আশঙ্কায় পুলিশি নিরাপত্তা জোরদারের পাশাপাশি সেনাবাহিনী মোতায়েনের ঘোষণা দিয়েছে সরকার। আগামী শনিবারের বিক্ষোভকে সামনে রেখে নেওয়া হচ্ছে বিশেষ প্রস্তুতি। গত সপ্তাহান্তে সহিংসতা ও লুটপাট ঠেকাতে ব্যর্থতার কথাও স্বীকার করেছে সরকার।
















