[b]জুরিখ:[/b] ১৯৫৬ সালে প্রথমবারের মতো ব্যালন ডি’অর খেতাব জিতেছিলেন ইংলিশ ফুটবলার স্ট্যানলি ম্যাথিউস। আর সর্বশেষ ২০১৩ সালে জিতলেন পর্তুগীজ ও রিয়াল মাদ্রিদ উইঙ্গার ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো।
দীর্ঘ ৫৮ বছরে ব্যালন লি’অর জয়ী ফুটবলারদের তালিকা:
১৯৫৬ : স্ট্যানলি ম্যাথিউস (ইংল্যান্ড)
১৯৫৭ : আলফ্রেডো ডি স্টেফানো (স্পেন)
১৯৫৮ : রেমন্ড কোপা (ফ্রান্স)
১৯৫৯ : আলফ্রেডো ডি স্টেফানো (স্পেন)
১৯৬০ : লুইস সুয়ারেজ (স্পেন)
১৯৬১ : ওমার সিভোরি (ইতালি)
১৯৬২ : জোসেফ মাসোপুস্ট (চেক প্রজাতন্ত্র)
১৯৬৩ : লেভ ইয়াচিন (ইউএসএসআর)
১৯৬৪ : ডেনিস ল (স্টকল্যান্ড)
১৯৬৫ : ইউসেবিও (পর্তুগাল)
১৯৬৬ : ববি চার্লটন (ইংল্যান্ড)
১৯৬৭ : ফ্লোরিয়ান আলবার্ট (হাঙ্গেরী)
১৯৬৮ : জর্জ বেস্ট (নর্দান আইল্যান্ড)
১৯৬৯ : গিয়ানি রিভেরা (ইতালি)
১৯৭০ : গার্ড মুলার (জার্মানী)
১৯৭১ : ইয়োহান ক্রইফ (নেদারল্যান্ড)
১৯৭২ : ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ার (জার্মানী)
১৯৭৩ : ইয়োহান ক্রুইফ (নেদারল্যান্ড)
১৯৭৪ : ইয়োহান ক্রুইফ (নেদারল্যান্ড)
১৯৭৫ : ওলেগ ব্লাকহিন (ইউএসএসআর)
১৯৭৬ : ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ার (জার্মানী)
১৯৭৭ : এ্যালান সিমোনসেন (ডেনমার্ক)
১৯৭৮ : কেভিন গিগান (ইংল্যান্ড)
১৯৭৯ : কেভিন গিগান (ইংল্যান্ড)
১৯৮০ : কার্ল হেইঞ্জ রুমেনিগে (জার্মানী)
১৯৮১ : কার্ল হেইঞ্জ রুমেনিগে (জার্মানী)
১৯৮২ : পাওলো রোসি (ইতালি)
১৯৮৩ : মিশেল প্লাতিনি (ফ্রান্স)
১৯৮৪ : মিশেল প্লাতিনি (ফ্রান্স)
১৯৮৫ : মিশেল প্লাতিনি (ফ্রান্স)
১৯৮৬ : ইগার বেলানোভ (ইউএসএসআর)
১৯৮৭ : রুড গুলিত (নেদারল্যান্ড)
১৯৮৮ : মার্কো ভ্যান বাস্তেন (নেদারল্যান্ড)
১৯৮৯ : মার্কো ভ্যান বাস্তেন (নেদারল্যান্ড)
১৯৯০ : লোথার ম্যাথিউস (জার্মানী)
১৯৯১ : জিন-পিয়েরে পাপিন (ফ্রান্স)
১৯৯২ : মার্কো ভ্যান বাস্তেন (নেদারল্যান্ড)
১৯৯৩ : রবার্তো ব্যাজিও (ইতালি)
১৯৯৪ : রিস্টো স্টোইকোভ (বুলগেরিয়া)
১৯৯৫ : জর্জ ওয়েহ (লাইবেরিয়া)
১৯৯৬ : ম্যাথিয়াস সামের (জার্মানী)
১৯৯৭ : রোনাল্ডো (ব্রাজিল)
১৯৯৮ : জিনেদিন জিদান (ফ্রান্স)
১৯৯৯ : রিভালদো (ব্রাজিল)
২০০০ : লুইস ফিগো (পর্তুগাল)
২০০১ : মাইকেল ওয়েন (ইংল্যান্ড)
২০০২ : রোনাল্ডো (ব্রাজিল)
২০০৩ : পাভেল নেদভেদ (চেক প্রজাতন্ত্র)
২০০৪ : আন্দ্রেই শেভচেঙ্কো (ইউক্রেন)
২০০৫ : রোনালদিনহো (ব্রাজিল)
২০০৬ : ফ্যাবিও কানাভারো (ইতালি)
২০০৭ : কাকা (ব্রাজিল)
২০০৮ : ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো (পর্তুগাল)
২০০৯ : লিয়নেল মেসি (আর্জেন্টিনা)
২০১০ : লিয়নেল মেসি (আর্জেন্টিনা)
২০১১ : লিয়নেল মেসি (আর্জেন্টিনা)
২০১২ : লিয়নেল মেসি (আর্জেন্টিনা)
২০১৩ : ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো (পর্তুগাল)
ম্যাথিউস থেকে রোনালদো
জুরিখ: ১৯৫৬ সালে প্রথমবারের মতো ব্যালন ডি’অর খেতাব জিতেছিলেন
আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় রোনালদোর
পর্তুগালের জার্সিতে আর দেখা যাবে না ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে। ২৩ বছরের বর্ণাঢ্য আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানার ঘোষণা দিয়েছেন ৪১ বছর বয়সী এই মহাতারকা। ইনস্টাগ্রামে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় জাতীয় দল থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত জানান তিনি। এর মধ্য দিয়ে পুরুষদের আন্তর্জাতিক ফুটবলে সর্বোচ্চ গোল ও সর্বাধিক ম্যাচ খেলার রেকর্ডধারীর বিদায় ঘটল।
রোনালদোকে ছাড়াই ডেনমার্কের বিপক্ষে পর্তুগালের দাপুটে জয়
ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে ছাড়াই ডেনমার্কের বিপক্ষে বড় জয় পেয়েছে পর্তুগাল। উয়েফা নেশনস লিগের ম্যাচে দুইবার পিছিয়ে পড়েও সমতায় ফিরেছিল ডেনমার্ক। তবে শেষ পর্যন্ত ৪-২ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে পর্তুগিজরা।
রোনালদোর একের পর এক গোল মিস, তবু পর্তুগালের জয়
ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর রাতটা শুরু থেকেই ছিল হতাশার। একের পর এক সুযোগ পেয়েও বল জালে জড়াতে পারেননি।
‘সুন্দর সমাপ্তির মতো’, হাজারতম গোল নিয়ে রোনালদোর বিশেষ ইচ্ছা
ক্যারিয়ারের এক হাজার গোলের মাইলফলক থেকে আর খুব বেশি দূরে নন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। তবে এই ঐতিহাসিক গোলটি কোথায় করতে চান, সেটি নিয়েও নিজের ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন ৪১ বছর বয়সী পর্তুগিজ তারকা। রোনালদোর চাওয়া, জাতীয় দলের জার্সিতেই যেন আসে ক্যারিয়ারের হাজারতম গোল। তাঁর ভাষায়, এমন একটি মুহূর্ত হবে ক্যারিয়ারের ‘সুন্দর সমাপ্তির মতো’।
হলিউডে পা রোনালদোর, কোন চরিত্রে?
ফুটবল ক্যারিয়ারে সাফল্যের কমতি নেই। এবার অভিনয় জগতে পা রাখছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। তবে সেখানেও বিষয় ফুটবল। এক ফুটবল এজেন্টের জীবন নিয়ে নতুন ওয়েব সিরিজ আসতে চলেছে। তার কার্যনির্বাহী প্রযোজক হিসেবে নাম থাকছে পর্তুগীজ সুপারস্টার রোনালদোর। সেইসঙ্গে বিশেষ অতিথি চরিত্রেও অভিনয় করবেন আল নাসরের এই তারকা ফুটবলার। তার পাশাপাশি এই ওয়েব সিরিজে থাকবেন ফ্রান্সের সাবেক কিংবদন্তি ফুটবলার থিয়েরি অঁরিও। টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন।
















