পূর্ব এশিয়ার একটি শক্তিশালী দেশ চীন। অর্থনীতি আর সামরিক শক্তি উভয় দিক থেকেই দেশটি এগিয়ে যাচ্ছে। তাই অর্থনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক কারণে এই দেশটির সাথে সম্পর্ক রাখা গুরুত্বপূর্ণ।
ছয় দিনের এক সরকারি সফরে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুক্রবার চীনে গেছেন৷ আগামী ৯ই জুন বেইজিংয়ে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কেকিয়াংয়ের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শীর্ষ পর্যায়ের এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকে বাংলাদেশে গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হচ্ছে।
এরআগে গত বুধবার সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, বাংলাদেশের সোনাদিয়ায় প্রথম গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণে চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান ‘চায়না কমিউনিকেশনস কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড'-এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান ‘চায়না হারবার ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেড' আগ্রহ দেখিয়েছে৷
চীনে নিযুক্ত বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রদূত আশফাকুর রহমান সম্প্রতি জার্মানভিত্তিক বার্তাসংস্থা ডয়চে ভেলে'কে বলেছেন, ‘‘চায়না হারবার-এর গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের অভিজ্ঞতা আছে৷ তাই এ ধরনের প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে কাজ করানোর সিদ্ধান্তটা অত্যন্ত ইতিবাচক৷''
তবে সাবেক এই রাষ্ট্রদূত কিছু বিষয়ে সতর্ক করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘‘চীনের কাছ থেকে আর্থিক সহায়তা গ্রহণের ব্যাপারে যথেষ্ট সতর্ক থাকতে হবে৷ কারণ, তারা কোনো না কোনো বাণিজ্যিক শর্তে এ ধরনের ঋণ দিতে চায়৷ শুরুতে সহযোগিতার প্রক্রিয়া শিথিল থাকলেও পরে ঋণচুক্তিতে নানা রকম শর্ত জুড়ে দেয়৷ কাজেই দেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে সর্বোচ্চটা আদায়ের জন্য এক্ষেত্রে দর-কষাকষি করা বাঞ্ছনীয়৷ সুতরাং দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞকে কাজে লাগিয়ে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পদ্মা সেতু ও গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের মতো প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে হবে৷"
বাস্তবতা হলো, চীনের শক্তি দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই এশিয়া মহাদেশে নিজের অবস্থান ভালো করতে চাইলে বাংলাদেশকে চীনের সাথে ভালো সম্পর্ক রাখতে হবে। বর্তমান সরকার পূর্ব এশিয়ার শক্তিশালী এই রাষ্ট্রের সাথে সুসম্পর্ক রক্ষার জন্য যে উদ্যোগ নিয়েছে সেটা বেশ ইতিবাচক।
তবে, চীনের সাথে এমনভাবে সম্পর্ক রাখা যাবে না যাতে পশ্চিমা শক্তিগুলো অসন্তুষ্ট হয়। কারণ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং যুক্তরাষ্ট্রের বেশকিছু দাতাসংস্থা বাংলাদেশে তাদের কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। তাই চীনের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক হবে বন্ধুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত।
[b]ঢাকা, ০৮ জুন (টাইমনিউজবিডি.কম) // টিআই[/b]
প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর ও কিছু কথা
পূর্ব এশিয়ার একটি শক্তিশালী দেশ চীন। অর্থনীতি আর সামরিক শক্তি উভয় দিক থেকেই দেশটি এগিয়ে যাচ্ছে। তাই অর্থনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক কারণে এই দেশটির সাথে সম্পর্ক রাখা গুরুত্বপূর্ণ। ছয় দিনের এক সরকারি সফরে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুক্রবার চীনে গেছেন৷ আগামী ৯ই জুন বেইজিংয়ে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কেকিয়াংয়ের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটি, তদন্তে কমিটি
প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে যান্ত্রিক ত্রুটির ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে কর্তৃপক্ষ। অভ্যন্তরীণভাবে গঠিত এ তদন্ত কমিটিকে দ্রুত প্রতিবেদন দিতে নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
যান্ত্রিক ত্রুটি সারিয়ে ৫ ঘণ্টা পর ঢাকার উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইট
ককপিটে কারিগরি ত্রুটি দেখা দেওয়ায় প্রায় পাঁচ ঘণ্টা বিলম্বের পর ঢাকার উদ্দেশে উড়াল দিয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বিজি-৩৭৭।
প্রধানমন্ত্রীর ফিরতি ফ্লাইটে যান্ত্রিক ত্রুটি
জাপানের টোকিও থেকে ঢাকায় ফেরার পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের উড়োজাহাজে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিয়েছে। এতে ফ্লাইটটির যাত্রা বিলম্বিত হয়েছে।
জাপান সফর শেষে ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রী
চার দিনের সরকারি সফর শেষে জাপান থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) জাপানের স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ১৮ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা ১৮ মিনিট) তাঁকে বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের নিয়মিত ফ্লাইটটি নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করে।
প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে ৪ সহযোগিতা স্মারক সই
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাপান সফরে দেশটির সঙ্গে বাংলাদেশের উপকূলীয় নিরাপত্তা সক্ষমতা জোরদারে টহল জাহাজ দেওয়ার অনুদান সংক্রান্ত চুক্তিসহ মোট ৪টি সহযোগিতা স্মারক সই হয়েছে। এছাড়া দুটি প্রকল্পে পাওয়া গেছে ৪ হাজার ৬৫৬ বিলিয়ন ইয়েন ঋণের প্রতিশ্রুতি।
















