সভায় সভাপতির বক্তব্যে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমীর মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি বলেন, "জনগণের কাঙ্ক্ষিত ৭ দফা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের রাজপথের কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।"

‘আকাঙ্ক্ষার চেয়ে ১০ গুণ বেশি সাড়া’

পূর্ববর্তী কর্মসূচির সফলতা তুলে ধরে নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি বলেন, "চট্টগ্রাম অভিমুখে অনুষ্ঠিত লংমার্চে আমাদের প্রত্যাশার চেয়ে ১০ গুণ বেশি মানুষ অংশ নিয়েছিল। মতিঝিল থেকে লালদিঘি ময়দান পর্যন্ত পুরো পথ জনসমুদ্রে পরিণত হয়ে মানববন্ধনের রূপ নেয়। ১১ দলীয় ঐক্যের প্রতি জনগণের যে আস্থা তৈরি হয়েছে, তা বজায় রেখে আমরা আপসহীন আন্দোলন চালিয়ে যাব।"

আগামী শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দ্বিতীয় ধাপের এই ঢাকা-টু-রংপুর লংমার্চে সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও সাধারণ দেশবাসীকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

১১ দলীয় ঐক্যের ৭ দফা দাবি

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মূলত দেশের চলমান সংকট নিরসনে ৭ দফা দাবিতে এই লংমার্চ অনুষ্ঠিত হচ্ছে:

১. গণভোটের গণরায় দ্রুত বাস্তবায়ন।

২. জুলাই গণহত্যার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ বিচার।

৩. বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সারের তীব্র সংকট নিরসন।

৪. নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ।

৫. সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নয়ন।

৬. প্রশাসনের সর্বস্তরে সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধ করা।

৭. দুর্নীতি, দখলদারিত্ব ও চাঁদাবাজি স্থায়ীভাবে বন্ধ করা।

ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি এবং নায়েবে আমীর আব্দুস সবুর ফকির ও অ্যাডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিনসহ সভায় কেন্দ্রীয় ও মহানগরীর শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। নেতৃবৃন্দ লংমার্চটি শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে সর্বস্তরের জনশক্তিকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশনা দেন।

এমএম