মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র অনেকেই পাঠ করেছেন। জিয়াউর রহমান তার পঞ্চম পাঠক।
জাতীয় প্রেসক্লাবে শনিবার গ্লোবাল সাপোর্ট ট্রাস্ট আয়োজিত ‘বাংলাদেশ, ডেমোক্রেসি অ্যান্ড বঙ্গবন্ধু’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
মোজাম্মেল হক বলেন, স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়ার বৈধ অধিকার কারও ছিল না। আর বৈধতা না থাকলে তার স্বীকৃতিও পাওয়া যায় না। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়ার বৈধতা ছিল। ৭০ সালের নির্বাচনে ভোটের মাধ্যমে বাঙালি জাতি তাঁকে সে অধিকার দিয়েছিল। এ জন্যই ২৬ মার্চ তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। এ জন্যই এ দিন স্বাধীনতা দিবস হিসেবে পালন করা হয়, ২৭ মার্চ না।
বিএনপির আন্দোলনের ব্যাপারে মোজাম্মেল হক বলেন, খালেদা জিয়া যে আন্দোলনের ডাক দিচ্ছেন তা অগণতান্ত্রিক। তারা গণতান্ত্রিক আন্দোলন করে না, অতর্কিত হামলা করে। মিছিল মিটিং করে না, গণমাধ্যমের ক্যামেরাকে খবর দিয়ে ২০-২৫ জন মিলে ককটেল ফুটায়, আগুন দেয়। তারপর উধাও হয়ে যায়।
বঙ্গবন্ধুর এক দলীয় শাসন ব্যবস্থার তৎকালীন প্রয়োজনীয়তা বর্ণনা করে মোজাম্মেল হক আরও বলেন, নির্বাচিতরা সবসময় ভালো থাকেন তা বলা যাবে না। হিটলার-মুসোলিনিও নির্বাচিত ছিলেন। আসলে গণতন্ত্র সময়ভেদে বিভিন্ন রূপ নেয়।
গ্লোবাল সাপোর্ট ট্রাস্টের আন্তর্জাতিক সভাপতি মাসুম বিল্লাহর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা উপাচার্য ড. গোলাম মাওলা ও টঙ্গী পৌরসভার সাবেক মেয়র আজমত উল্লা খান প্রমুখ।
ঢাকা, ১৯ জুলাই (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেআই





