উপজেলা নির্বাচনকে সামনে রেখে তৃণমূল নেতৃত্বের সাথে মতবিনিময়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধির পাশাপাশি উপজেলা নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী বাছাই এবং আন্দোলন নিয়ে তৃণমূলের ভাবনা জানতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
বিএনপির একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা জানায়, দলের নীতি নির্ধারণী পর্যায়ের নেতাদের সমন্বয়ে ৫৬টি টিম গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। প্রতিটি টিমে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য, ভাইস চেয়ারম্যান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা, যুগ্ম-মহাসচিব ও সাংগঠনিক সম্পাদকদের প্রধান হিসেবে রাখা হয়েছে। প্রতি টিমে সদস্য হবে ১০ জন।
সূত্র জানায়, জেলায় জেলায় খালেদা জিয়ার সফরের তারিখ চূড়ান্ত করতে শিগগিরই শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করে সাংগঠনিক খোঁজ-খবর নেওয়া হবে। সেক্ষেত্রে যে সকল কমিটির মেয়াদ নেই এবং যে সকল নেতা নিষ্ক্রীয় তাদের বাদ দিয়ে চলমান আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত নেতাদের নিয়ে নতুন কমিটি গঠন করা হতে পারে।
উপজেলা নির্বাচনে কাকে প্রার্থী করা হয়েছে, কোথায় দুর্বলতা রয়েছে, সেখানকার সাংগঠনিক অবস্থা কী এসব বিষয়ে রিপোর্ট দেবে সাংগঠনিক টিম। এ রিপোর্টের ভিত্তিতে প্রয়োজনে কমিটিতে পরিবর্তন আনা হবে। প্রয়োজনে নতুন করে কমিটি গঠন করা হবে। মার্চ-এপ্রিলে দলের ৬ষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিলে ঢাকা মহানগর বিএনপির কমিটির পাশাপাশি দলের নতুন মহাসচিব নির্ধারণ করা হতে পারে বলে সূত্র নিশ্চিত করে।
যেসব জেলা ও মহানগরের নেতারা সাম্প্রতিক আন্দোলনে নিষ্ক্রীয় ছিলেন তাদের এই রহস্যময় ভূমিকার কারণ জানতে চাইবে এই টিম। প্রত্যেকটি টিম তাদের দায়িত্বপ্রাপ্ত জেলার সঠিক প্রতিবেদন দলের হাইকমান্ডের কাছে জমা দেবে। আন্দোলনে কারা সক্রিয় ছিল তাদের তালিকাও জমা দেবে এই টিমগুলো।
টিমগুলোর প্রধান হিসেবে রয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড.খন্দকার মোশাররফ হোসেন, লে.জে.(অব) মাহবুবুর রহমান, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, তরিকুল ইসলাম, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম, ড.আব্দুল মঈন খান, ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল-নোমান, সেলিমা রহমান, চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসূফ, শমসের মবিন চৌধুরী, এম মোরশেদ খান, আলতাফ হোসেন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ড.ওসমান ফারুক, এ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান, এ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন প্রমুখ।
[b]ঢাকা, ২৯ জানুয়ারি (টাইমনিউজবিডি.কম) // এফএ[/b]
তৃণমূল সফরে যাচ্ছে বিএনপির ৫৬ টিম
উপজেলা নির্বাচনকে সামনে রেখে তৃণমূল নেতৃত্বের সাথে মতবিনিময়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধির পাশাপাশি উপজেলা নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী বাছাই এবং আন্দোলন নিয়ে তৃণমূলের ভাবনা জানতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে
দলীয় প্রতীক হারানোর শঙ্কায় মমতার তৃণমূল
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবির পর ভাঙনের মুখে পড়া তৃণমূল কংগ্রেস এবার দলীয় প্রতীক ‘জোড়া ঘাসফুল’ হারানোর শঙ্কায় পড়েছে। দল থেকে বেরিয়ে যাওয়া বিদ্রোহী নেতারা নতুন নেতৃত্ব ঘোষণা করার পর প্রতীকটির নিয়ন্ত্রণ নিয়েও রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেসে নেতৃত্বে ব্যাপক রদবদল
পশ্চিমবঙ্গে নতুন সরকার গঠন হওয়ার পরেই প্রশাসনিক স্তরে বড়সড় রদবদল এনেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক দল। মূলত বিধানসভায় নিজেদের পরিষদীয় দলকে আরও শক্তিশালী করতে এই বদল আনে তৃণমূল কংগ্রেস।
পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূলের বিপর্যয়ের ৫ কারণ
পশ্চিমবঙ্গের সদ্যসমাপ্ত নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এখনো উত্তপ্ত। ভোটগণনায় ক্ষমতার পালাবদলের ইঙ্গিত স্পষ্ট হলেও তৃণমূল কংগ্রেস এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে পরাজয় স্বীকার করেনি। বরং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন, নির্বাচন কমিশনের সহায়তায় বিজেপি অন্তত একশ’ টি আসন ‘লুট করে নিয়েছে’। তারা যুক্তি দিচ্ছেন, লাখ লাখ মানুষকে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দিয়ে যে নির্বাচন তা কখনোই সুষ্ঠু ও অবাধ বলে মানা যায় না।
ভারতের বিধানসভা নির্বাচন পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ১৮২ আসনে, তৃণমূল ১০৯
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনায় এখন পর্যন্ত পাওয়া ফলাফল অনুযায়ী বিজেপি এগিয়ে আছে। বাংলাদেশ সময় বেলা ১১টা থেকে সাড়ে ১১টার মধ্যে গণনায় দেখা যায়, ২৯৪ আসনের মধ্যে বিজেপি ১৮২টি আসনে এগিয়ে রয়েছে।
ভারতের নির্বাচন প্রাপ্ত ফলাফল বিজেপি ১৫০ আসন, তৃণমূল ১২৫
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনায় বিজেপি এগিয়ে আছে ১৫০ আসনে, তৃণমূল কংগ্রেস এগিয়ে আছে ১২৫টিতে। কংগ্রেস দল এগিয়ে চার আসনে, অন্যরা একটি আসনে।
















