ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছে বার্সেলোনা। সপ্তম মিনিটে অ্যাস্টন ভিলার রক্ষণভাগের ভুল কাজে লাগিয়ে দলকে এগিয়ে দেন ইয়ামাল। নিজেদের বক্সের কাছে সতীর্থের উদ্দেশে জোয়াও গোমেসের ভুল পাস থেকে বল পেয়ে নিয়ন্ত্রণে নেন এই স্প্যানিশ তরুণ। এরপর নিখুঁত শটে জাল খুঁজে নেন তিনি।
গোল হজমের পর ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে উনাই এমেরির দল। প্রথমার্ধে কয়েকটি ভালো সুযোগও তৈরি করে অ্যাস্টন ভিলা। তবে বার্সেলোনার গোলরক্ষক হোয়ান গার্সিয়া ও রক্ষণভাগের দৃঢ়তায় সমতায় ফিরতে পারেনি সফরকারীরা।
বিরতির পর ব্যবধান বাড়াতে বেশি সময় নেয়নি স্বাগতিকেরা। ৫২ মিনিটে ফারমিন লোপেজের কাছ থেকে বল পেয়ে শট নেন রাফিনিয়া। তাঁর শট প্রতিপক্ষের গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে জালে জড়ায়।
এর ১২ মিনিট পর নিজের দ্বিতীয় গোল করেন রাফিনিয়া। ৬৪ মিনিটে জোয়াও কানসেলোর দারুণ ক্রস থেকে কাছ থেকে বল জালে পাঠিয়ে দলের ব্যবধান ৩-০ করেন তিনি।
এরপর আরও গোলের সুযোগ তৈরি করেছিল বার্সেলোনা। তবে আর কোনো গোল না হওয়ায় ৩-০ ব্যবধানের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে কাতালানরা।
এই জয়ে চার ম্যাচে ৯ পয়েন্ট নিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগের পয়েন্ট তালিকার দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে বার্সেলোনা। অন্যদিকে, এই হারে প্রতিযোগিতায় অ্যাস্টন ভিলার টানা তিন জয়ের ধারায় ছেদ পড়েছে।
এস















