আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘খালেদা জিয়াকে প্যারোলে মুক্তি দেওয়ার জন্য পরিবার থেকে বিভিন্নভাবে আবেদন এসেছে। তাঁরা টিভির পর্দায় আবেদন করেন। আমি সকালেও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে খবর নিয়েছি। প্যারোলের লিখিত কোনো আবেদন আসেনি। এখন লিখিত আবেদন আসলেও এ আবেদন কারণসহ যুক্তিসঙ্গত হতে হবে। যুক্তিযুক্ত কারণ ছাড়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও প্যারোল বিবেচনা করতে পারে না। সরকার বিবেচনা করতে পারে না।’
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে এসব কথা বলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়াকে কি আওয়ামী লীগ জেলে নিয়েছে? তাঁকে কি শেখ হাসিনা জেলে নিয়েছে? তাঁকে জেলে নিয়েছে কে? আদালত। কার মামলায়? তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মামলায় তিনি বিচারাধীন আছেন। তাঁর এ মামলা রাজনৈতিক মামলা নয়, এটা দুর্নীতির মামলা। রাজনৈতিক মামলা হলে সরকার তাঁর মুক্তির ব্যাপারে বিবেচনা করতে পারত। কিন্তু মামলাটি যেহেতু দুর্নীতির তাই এ মামলায় তাঁকে মুক্তি দেওয়ার একমাত্র এখতিয়ার আদালতের।’
সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য সম্পর্কে তাঁর দলের লোকেরা বলেন এক কথা, চিকিৎসকরা বলেন আরেকটা। চিকিৎসকরা বলেন তাঁর স্বাস্থ্য নিয়ন্ত্রণে আছে। আর তাঁর দলের লোকরা তাঁকে অসুস্থ থেকে আরো অসুস্থ বানিয়েছেন। তাঁকে নিয়ে তাঁরা যতটা না চিকিৎসা নিয়ে ভাবছে, তারচেয়ে বেশি তাঁরা রাজনীতি করছে।’
ওবায়দুল কাদের বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সমালোচনা করে বলেন, ‘বেগম জিয়াকে জেলের মধ্যে মেরে ফেলব এ রাজনীতি বঙ্গবন্ধু করেন নাই। তাঁর কন্যা শেখ হাসিনাও করে না। তাঁকে কষ্ট দিয়ে মারার ইচ্ছা শেখ হাসিনার নেই।’
টুঙ্গিপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. ইলিয়াস হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনের প্রথমপর্বে বক্তব্য দেন উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদ, শেখ হেলাল উদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ.ফ.ম বাহাউদ্দিন নাছিম।
এমআর





