বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, গণতন্ত্রের নাম বলে গণতন্ত্রকে আজ গলা টিপে হত্যা করা হয়েছে। এই গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনতে সমগ্র জাতিকে ঐকবদ্ধ হতে হবে।
শুক্রবার বিকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে ভাসানী স্মৃতি সংসদ আয়োজিত ‘ভাষা আন্দোলন ও মওলানা ভাসানী’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ফখরুল সরকারের কড়া সমালোচনা করে বলেন, এই সরকার আর ৭২-৭৫ সালের বাকশাল সরকারের মধ্যে কোনো তফাৎ নেই। তারা সেই আমলে যেভাবে গণমাধ্যম বন্ধ করে মানুষের বাক স্বাধীনতা হরণ করেছিল, তেমনি আজও আমার দেশসহ অন্যান্য গণমাধ্যম বন্ধ করে মানুষের কন্ঠ রোধ করতে চায় সরকার।
বিএনপির এই নেতা বলেন, ভাসানীর চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে একটি শোষণমুক্ত সমাজ নির্মাণে আমাদের তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে আসতে হবে।
আওয়ামী লীগের সমালোচনা করে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ নিজেদের মতের বাইরে অন্য কারো অবদানকে স্বীকৃতি দিতে চায় না। এমনকি সে্ই ব্যক্তিটি যদি আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাও হন তাহলেও তার যথাযথ অবদান দিতে কার্পণ্য করে। যার উদাহরণ হল মওলানা ভাসানী, তাজ উদ্দীন আহমেদ এবং মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ওসমানীকেও তারা অবজ্ঞা করে।
মির্জা ফখরুল সরকারের উদ্দেশ্যে বলেন, এখনো সময় আছে ১৯ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতা বেগম খালেদা জিয়ার আহ্বানে সাড়া দিয়ে দ্রুত অবাধ ও সব দলের অংশ গ্রহণে একটি নির্বাচনের ব্যবস্থা করুন।
সংগঠনের সভাপতি জিয়াউল হক মিলুর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান কাজী জাফর আহমেদ, সাবেক মন্ত্রী নুর মোহাম্মদ খান, সংগঠনের সাবেক সভাপতি নাজমুল হক নান্নু, অ্যাডভোকেট কাজী মনিরুল হুদা, ভাসানীর দৌহীত্র মাহমুদুল হক সানু প্রমুখ
[b]ঢাকা, এমএইচ, ১৪ ফেব্রুয়ারি (টাইম নিউজবিডি.কম)// এসআর[/b]
গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে সমগ্র জাতিকে ঐকবদ্ধ হতে হবে:ফখরুল
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, গণতন্ত্রের নাম বলে গণতন্ত্রকে আজ গলা টিপে হত্যা করা হয়েছে। এই গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনতে সমগ্র জাতিকে ঐকবদ্ধ হতে হবে। শুক্রবার বিকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে ভাসানী স্মৃতি সংসদ আয়োজিত ‘ভাষা আন্দোলন ও মওলানা
মতভেদ ও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ গণতন্ত্রের সৌন্দর্য : রাষ্ট্রপতি
রাজনীতিতে মতপার্থক্য, গঠনমূলক সমালোচনা এবং শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ গণতন্ত্রের স্বাভাবিক ও গুরুত্বপূর্ণ অংশ বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। প্রতিহিংসার রাজনীতি গণতান্ত্রিক পরিবেশের বিকাশে বাধা সৃষ্টি করে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
গণতন্ত্র চর্চার মাধ্যমেই বিকশিত হয় : রাষ্ট্রপতি
গণতন্ত্রকে কার্যকর ও টেকসই করতে নিয়মিত চর্চার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, গণতন্ত্র কোনো একদিনে তৈরি হয় না; নিয়মিত চর্চার মধ্য দিয়ে ধাপে ধাপে এটি একটি সংস্কৃতিতে পরিণত হয়।
রাষ্ট্রপতি গণতন্ত্রকে রক্ষা করাটাই এখন সবচেয়ে বড় কাজ
গণতন্ত্রকে রক্ষা করাটাই এখন আমাদের সবচেয়ে বড় কাজ ও দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সিলেট সিটি কর্পোরেশন প্রাঙ্গণে নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত অতিথি হিসেবে বক্তব্যকালে তিনি এ কথা বলেন।
বিবৃতিতে বিরোধীদলীয় নেতা গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি ভুলে গেছে বিএনপি
১৫ সেপ্টেম্বর ‘আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস’ উপলক্ষে সোমবার গণমাধ্যমে দেয়া বিবৃতিতে বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, গণতন্ত্র কেবল সরকার গঠনের কোনো সাময়িক প্রক্রিয়া নয়, বরং এটি মানুষের মৌলিক অধিকার, সামাজিক ন্যায়বিচার, বাকস্বাধীনতা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার প্রধান ভিত্তি। গণতন্ত্র সুরক্ষিত থাকলে একটি সমাজ স্বৈরাচার, শোষণ ও বৈষম্য থেকে মুক্ত থেকে অগ্রগতির পথে এগিয়ে যেতে পারে।
রাষ্ট্রপতি গণতন্ত্রকে বাঁচাতে হলে গণমাধ্যমকেও বাঁচাতে হবে
গণতন্ত্রকে বাঁচাতে হলে গণমাধ্যমকেও বাঁচাতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, গণতন্ত্রের মূল শক্তি হচ্ছে গণমাধ্যম। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও সুশাসনের স্বার্থে গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।















