সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে নাগরিক মঞ্চ আয়োজিত ‘৭২ সংবিধান, রাষ্ট্র সংস্কার ও জুলাই সনদ এর আইনি ভিত্তি প্রদান এবং পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, নির্বাচনের জন্য মুখে যত ফেনা তুলতেছি, ভোটের রায় মানার ক্ষেত্রে যদি পিছনে থাকি, তাহলে কিন্তু হবে না। কে নির্বাচিত হবে, কে সরকার গঠন করবে, জনগণের ভোটের মতামতে সেটা হবে। আমরা সে রায় মেনে আগামী দিনে বাংলাদেশ গঠনের ক্ষেত্রে এগিয়ে যাব।

জুলাই সনদ নিয়ে আবদুল হালিম বলেন, জুলাই সনদ এটা কোনো একক দলের দাবি নয়। এখানে বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি নয় শুধু, সবারই। তরুণ ছাত্রছাত্রী, কৃষক এবং শ্রমজীবী মানুষ, যারা জীবন দিয়েছে, তাদের এ রক্তের আইনি স্বীকৃতি না হবে। এটার আইনি ভিত্তি দিয়েই নির্বাচনের আয়োজন করতে হবে।

তিনি বলেন, ১৯৯১ সাল কেয়ারটেকারের সরকারের অধীনে বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে। ১৭৩ দিন হরতাল করার পরে এটা সংবিধানে যুক্ত হয়ে গেছে। আবার আওয়ামী লীগ করল কি, এই কেয়ারটেকার মাধ্যমে ২০০৮-এ ক্ষমতায় আসলো। আসার পরে ২০১১ সালে এটারে কবর দিয়েছে। সেজন্য আমরা বলি যে, জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি ছাড়া নির্বাচন করে আপনারা পারবেন— এটাই এদেশের জনগণ মানবে না। তবে অবশ্যই ফেব্রুয়ারি মাসে জাতীয় নির্বাচন হওয়া উচিত, আমরা মনে করি। জাতীয় নির্বাচনের জন্য আমরা এখানে যারা আছি, সবাই প্রস্তুত। কিন্তু জুলাই সনদের আইন ভিত্তি ছাড়া নির্বাচন মানব না।

নাগরিক মঞ্চের প্রধান সমন্বয়কারী আহসান উল্লাহ শামিমের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন জাতীয় মুক্তি জোটের চেয়ারম্যান ড. শাহরিয়ার, ব্রি. জেনারেল (অব.) আবদুল্লাহিল আমান আজমী, নাগরিক মঞ্চের সদস্য মেজর (অব.) ড. মাসুদুল হাসান, এনডিপির চেয়ারম্যান আবু তাহের প্রমুখ।

এনএইচ