নির্বাচন কমিশন (ইসি) সম্পূর্ণ একটি ‘পাপেট’। পুলিশ প্রশাসন নির্বাচন কমিশনের কথা শুনছে না। সরকার চাইছে দশম সংসদের মতো আরেকটি এক তরফা নির্বাচন করতে।
নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমদের সঙ্গে একটি প্রতিনিধি দল নিয়ে সাক্ষাতের পর সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) দুপুরে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান সাংবাদিকদের কাছে এমন মন্তব্য করেন।
সেলিমা রহমান বলেন, ‘ঢাকাতে এখন পর্যন্ত বিএনপির কোনো প্রার্থী প্রচারণায় নামতে পারেনি। পুলিশ যেন আমাদের প্রতিপক্ষ। তারা আমাদের মাঠে থাকতে দিচ্ছে না। ২০১৪ সালের মতো আবারও একতরফা নির্বাচন করতে চাচ্ছে সরকার।’
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা ইতিমধ্যে বলেছেন, নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড আছে। যেখানে আমাদের নেতাকর্মী, প্রার্থীদের ওপর হামলা হচ্ছে, সেখানে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড কী করে থাকল?
লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের সংজ্ঞা কী? সিইসি আরো বলেছেন, তৃতীয় শক্তির উত্থান হতে পারে। আমরা তো নির্বাচনের জন্য আছি। আমাদের মাঠে থাকতে দিতে হবে।’
সেলিমা রহমান বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের সঙ্গেই আমরা দেখা করতে এসেছিলাম। কিন্তু তাঁরা না থাকায় ইসি সচিবের সঙ্গে দেখা করে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।
সচিব জানিয়েছেন-আমাদের অভিযোগগুলো কমিশনের কাছে তোলা হয়, কমিশন আলোচনা করে ব্যবস্থা নেয়। আমরা বলেছি, পুলিশ তো কমিশনের কথা শুনছে না।
নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণ একটা পাপেট। এই মুহূর্তে সেনাবাহিনী মাঠে নামান। বিএনপি এখনো প্রতিরোধ গড়ে তোলেনি। সেনা নামানো না হলে আমরা প্রতিরোধ গড়ে তুলব। সচিব বলেছেন আগামী ২৪ ডিসেম্বর সেনা সদস্যরা মাঠে নামবেন।’
বিএনপির এই নেত্রী বলেন, ‘এই নির্বাচনটা আমাদের কাছে একটা চ্যালেঞ্জ। আমরা নির্বাচনের মাঠে থাকতে চাই। আমরা চাই না কোনো ধরনের সহিংসতা হোক। আমরা এখনো সহিংসতায় যাইনি। এরপর তো আর কিছু বলার নেই।’
সেলিমা আরো বলেন, ‘লিখিত অভিযোগপত্রে বিএনপি প্রার্থী মির্জা আব্বাস, মাহবুব উদ্দিন খোকন, গোলাম মাওলা রনির স্ত্রীর ওপর হামলাসহ বিভিন্ন নির্বাচনী এলাকায় দলটির নেতাকর্মীদের নামে মামলা, গ্রেপ্তার ও হয়ারানির বিষয় তুলে ধরা হয়।
একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অপতৎপরতা এবং আওয়ামী সন্ত্রাসীদের দ্বারা আক্রমণ অবিলম্বে বন্ধের নির্দেশ দেওয়ার দাবি করা হয়।’
এএস





