ঘটনার সূত্রপাত রাজনৈতিক আলোচনা ও নীতিগত অবস্থান নিয়ে দুজনের বাকবিতণ্ডা থেকে। পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সারোয়ার তুষারের শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং এনসিপির ভেতরে তার ভূমিকা নিয়ে কড়া মন্তব্য করেন রাশেদ খান।

এবার রাশেদ খানকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে পড়াশোনা করতে চাইলে সরোয়ার তুষারকে খরচ দেবেন বলে পোস্ট করেছেন ফেসবুকে।

মঙ্গলবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে রাশেদ খান দাবি করেন, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি/SUST) থেকে অনার্স শেষ করতে না পারা ‘ড্রপ আউট’ সারোয়ার তুষার তার রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে রাশেদ খান জানান, তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস ফ্যাকাল্টি থেকে সফলভাবে বিবিএ শেষ করেছেন। এমবিএ ফাইনাল সেমিস্টারের সময় তাঁর সামনে দুটি পথ খোলা ছিল-কোটা সংস্কার আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া অথবা পড়ার টেবিলে ফিরে যাওয়া। তিনি ২য় পথটি বেছে নেন এবং পরবর্তীতে পূর্ণাঙ্গ রাজনীতিতেই মন দেন।

সারোয়ার তুষারকে কটাক্ষ করে রাশেদ খান প্রশ্ন তোলেন, কোটা সংস্কার আন্দোলন সফল হওয়ার পরও তিনি কেন কোনো চাকরির পরীক্ষায় অংশ নেননি? একই সঙ্গে তুষারের শিক্ষাগত সার্টিফিকেট নেই বলেও দাবি করেন রাশেদ।

কটাক্ষের এক পর্যায়ে রাশেদ খান মন্তব্য করেন, ড্রপ আউট সারোয়ার তুষার যদি আবারও অনার্স পড়তে চায়, আমি তার পড়াশোনার খরচ বহন করব। অন্তত লাগালাগির পেছনে সময় ব্যয় না করে পড়াশোনা করে মানুষ হোক।

এনএইচ