দীর্ঘ শোষণ-বঞ্চনা আর আধিপত্যবাদী ও সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী সংগ্রামে সামনের কাতারে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন, সমগ্র জাতিকে দিক নির্দেশনা দিয়েছিলেন ভাষা সৈনিক আবদুল মতিন।
১৯৫২ সালে পাকিস্তানী শাসকের ভাষা আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ আন্দোলন গড়ে তোলার নেতৃত্ব দিয়ে অধিকার আদায়ে সমগ্র জাতিকে সংগ্রামের পথ দেখিয়েছিলেন আবদুল মতিন।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে নয়াপল্টনস্থ যাদুমিয়া মিলনায়তনে ভাষা সৈনিক আবদুল মতিনের ৮৯তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ ঢাকা মহানগর আয়োজিত স্মরণ সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে নেতৃবৃন্দ উপরোক্ত এসব কথা বলেন।
নগর আহ্বায়ক সৈয়দ শাহজাহান সাজু‘র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন ন্যাপ মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া, আলোচনায় অংশ গ্রহন করেন ন্যাপ যুগ্ম মহাসচিব স্বপন কুমার সাহা, সম্পাদক মতিয়ারা চৌধুরী মিনু প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া বলেছেন, ভাষা সৈনিক আজীবন দেশের জন্য, মানুষের জন্য, সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য লড়াই করেছেন, সংগ্রাম করেছেন, কথা বলেছেন। এক কথায় ভাষা মতিন ছিলেন দুঃসাহসী ও মানবতাবাদী রাজনীতিবিদ।
তিনি বলেছেন, ইসলামী জঙ্গিবাদের নামে বিশ্বব্যাপী আমেরিকার দখলদারিত্ব চলছে। বাংলাদেশেও তাদের যুদ্ধ সন্ত্রাস প্রবেশ করছে। কারণ এ সরকার মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে বাংলাদেশকে বিপদজনক পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিয়েছে।
সভাপতির বক্তব্যে সৈয়দ শাহজাহান সাজু বলেছেন, ভাষা সৈনিক আবদুল মতিন একজন আদর্শ রাজনীতিক। তার প্রথম জীবন থেকেই তিনি সাধারন মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য কাজ করতেন। তার সংগ্রামী জীবন, বিদ্রোহী চেতনা ঘুমঘোরে আচ্ছন্ন জাতিকে অধিকার আদায়ের অনুপ্রেরনা যোগায়।
এমএ





