২২ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার সারা দিন নারায়ণগঞ্জ মহানগরবাসীকে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে বিএনপি মনোনীত ও ২০ দলীয় জোট সমর্থিত এডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খানকে ‘ধানের শীষে’ভোট দিয়ে বিজয়ী করার আহ্বান জানিয়েছেন ২০ দলীয় জোটের অন্যতম শরিক বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ।
আজ মঙ্গলবার গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে দলের চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া এক বিবৃতিতে এ আহবান জানিয়ে বলেছেন, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর হত্যাকান্ড এবং গুম, খুন ও সন্ত্রাসের কারণে সমগ্র নারায়ণগঞ্জ এক মৃত্যুপূরীতে পরিনত হয়েছে। মহানগরের সাধারণ মানুষ আতংকের মধ্যে দিনযাপন করছে। আর সে কারনেই প্রয়োজন পরিবর্তন। আর পরিবর্তনের লক্ষকে সামনে নিয়েই ভোটারবিহীন সরকারের অপরাজনীতির বিরুদ্ধে ২২ ডিসেম্বর ভোটের মাধ্যমে অনাস্থা জানাতে হবে।
নেতৃদ্বয় বলেন, অবস্থা দৃষ্টে মনে হচ্ছে নারায়নগঞ্জে সরকারী দলের সন্ত্রাসীরা ভোট ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে। আর সে কারণে আমাদের দাবী হচ্ছে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে অবিলম্বে র্স্ট্যাকিং ফোর্স হিসাবে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা। সেনা মোতায়েন ছাড়া সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রত্যাশা করা সম্ভব নয়।
তারা বলেন, নির্বাচন কমিশন, স্থানীয় প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসমূহ, ক্ষমতাসীন দল এবং সর্বোপরি ক্ষমতাসীন সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, ভোটের দিন এবং এর আগে পরে পুরো নারায়ণগঞ্জে যেন সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্ন-পরিবেশ বজায় রাখতে অবিলম্বে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হউক।
বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় ২০ দলীয় জোট নেত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মনোনীত প্রার্থীকে বিজয়ী করতে জোটের সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এই ‘ধানের শীষ’মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও জাতীয় নেতা মশিউর রহমান যাদু মিয়ার ‘ধানের শীষ’। এই প্রতীক জাতীয়তাবাদী শক্তির ঐক্যর প্রতীক। এই ‘ধানের শীষ’সন্ত্রাস ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের প্রতীক। এই ‘ধানের শীষ’সার্বভৌমত্বকে সংহত করা, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং জনগণের অধিকার রক্ষার প্রতীক।
এই প্রতীককে বিজয়ী সরকারের আওয়ামী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে গণরায় সৃষ্টি করতে হবে।
এআই





