এতে বলা হয়েছে, যেসব আসনে এনসিপির নিজস্ব প্রার্থী রয়েছে, সেখানে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর নেতৃত্বেই গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট নিশ্চিত করতে ব্যাপক প্রচারণা পরিচালিত হবে। ওই সব আসনে প্রার্থী নিজেই দলীয় কর্মী, সমর্থক ও সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রেখে প্রচারণার মূল নেতৃত্ব দেবেন।

বার্তায় বলা হয়, যেসব আসনে এনসিপির কোনো প্রার্থী নেই—এমন মোট ২৭০টি আসনে দলটি ‘অ্যাম্বাসেডর’ বা প্রতিনিধি নিয়োগ দেবে। এসব অ্যাম্বাসেডর বা প্রতিনিধির মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট আসনগুলোতে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালানো হবে। তারা স্থানীয় জনগণের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে এনসিপির রাজনৈতিক অবস্থান, গণভোটের গুরুত্ব এবং ‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরবেন।

এতে আরো বলা হয়, এই পদ্ধতির মাধ্যমে এনসিপি সারা দেশে একটি সমন্বিত ও সর্বব্যাপী প্রচারণা নিশ্চিত করতে চায়, যাতে প্রার্থী থাকা কিংবা না থাকা—সব আসনেই জনগণের কাছে দলের বার্তা স্পষ্টভাবে পৌঁছে দেওয়া যায় এবং গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে জনমত গড়ে তোলা সম্ভব হয়।

এনএইচ