বুধবার (২৭ আগস্ট) এ বিষয়ে তারা গণমাধ্যমে একটি বিবৃতি দিয়েছেন।

বিবৃতিতে তারা বলেন, বিগত ১৪ বছর যাবত অত্যন্ত সুনামের সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী এই মসজিদে খতিব ও ইমামের দায়িত্ব পালন করে আসছেন মাওলানা মোস্তফা মাহমুদ। তার জুমার খুৎবা ও আলোচনা শোনার জন্য সিরাজগঞ্জের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে শুক্রবারে মসজিদ ভরে যায়।

বিগত ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের আমলেও সময়োপযোগী আলোচনা রাখার কারণে তিনি ওই সময়ের সরকারের পেটুয়া বাহিনীর রোষানলে পড়ে অনেকবার কারাবরণ করেছেন। তারপরও তিনি তার ধারাবাহিক আলোচনা অব্যাহত রেখেছিলেন।

অত্যন্ত পরিতাপের সঙ্গে লক্ষ্য করছি যে, ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের বছর পেরনোর আগেই আরও একটি দল ক্ষমতার যাওয়ার মোহে মাওলানা মোস্তফা মাহমুদের কোরআনের ধারাবাহিক আলোচনাকে প্রতিবন্ধকতা মনে করে মসজিদ কমিটিকে দিয়ে জোরপূর্বক ইমাম ও মুয়াজ্জিনকে দায়িত্ব পালন থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন।

নেতৃবৃন্দ এ কাজের তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করেছেন। সেইসঙ্গে তারা বলেন, বাংলাদেশে আগামী নির্বাচনের যখন ব্যাপক আবহ প্রবাহমান, সেই সময়ে এমন একজন ইসলামি চিন্তাবিদকে তার দ্বীনি খেদমত থেকে বিরত রাখা স্বাভাবিক পরিবেশকে বিঘ্ন করবে।

আমরা আরও লক্ষ্য করছি যে, খতিব সাহেবের ভক্ত-অনুরক্ত ব্যক্তিবর্গের বাসাবাড়িতে গিয়ে হুমকি-ধামকি দেওয়া হচ্ছে, যা অত্যন্ত নিন্দনীয়। আমরা এমন আচরণের পরিবর্তে পারস্পারিক সহনশীলতার সঙ্গে সহাবস্থানের মাধ্যমে সামাজিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার অনুরোধ করছি।

এমএম