শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকা-রংপুর লংমার্চের অংশ হিসেবে সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুল গোলচত্বর এলাকায় আয়োজিত পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন। ১১ দলীয় জোটের ঢাকা-রংপুর লংমার্চে সিরাজগঞ্জে পথসভা হওয়ার বিষয়টি একাধিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
মামুনুল হক বলেন, জনগণের গণরায় উপেক্ষা করে কোনো সরকার ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারবে না। গণভোটের রায় নিয়ে ‘ছিনিমিনি’ না খেলে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করে সংস্কারের মাধ্যমে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবি জানান তিনি।
তিনি বলেন, জনগণের অধিকার ও ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হলে ১১ দল জনগণকে সঙ্গে নিয়ে প্রয়োজনে এক দফার দিকে ধাবিত হবে। অতীতে জনগণের গণরায় উপেক্ষা করে কোনো শাসকগোষ্ঠী ক্ষমতা ধরে রাখতে পারেনি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
লংমার্চের দাবির প্রসঙ্গ তুলে মামুনুল হক দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, জ্বালানি ও সারের সংকট নিরসন এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নের দাবি জানান। শুধু ক্ষমতায় থাকার জন্য জনগণের ভোটাধিকার নিয়ে কারচুপি গ্রহণযোগ্য নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ভারতের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, বাংলাদেশের আদালতের পরোয়ানাভুক্ত ও সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের বাংলাদেশে হস্তান্তর করতে হবে। বাংলাদেশের সঙ্গে অমীমাংসিত বিষয়গুলোর সমাধান না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে দিল্লিতে দেখতে চান না বলেও মন্তব্য করেন মামুনুল হক।
এস





