[justify]রাজধানীতে বিএনপিকে সভা-সমাবেশ করতে না দেয়ার তীব্র সমালোচনা করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, গণতন্ত্রের দরজা-জানালা বন্ধ করবেন না।‘অগণতান্ত্রিক’ আচরণ পরিহার করুন, কারণ এতে আপনাদের কল্যাণ হবে না।
মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে ডক্টর এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) আয়োজিত শহীদ জিয়া গণতন্ত্র ও বাংলাদেশ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
একটি দৈনিক পত্রিকার সংবাদের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি আরও বলেন, সরকারের উচ্চ মহলে না কি সিদ্ধান্ত হয়েছে রাজধানীতে খালেদা জিয়াকে সভা-সমাবেশ করতে দেয়া হবে না। কিন্তু আমরা পরিষ্কার ভাষায় বলতে চাই, বেগম খালেদা জিয়া চাইলে ঢাকায় যে কোনো সময় সমাবেশ হবে।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, গুম-খুন আর হত্যা-নির্যাতন করে পৃথিবীর কোনো স্বৈরশাসক ক্ষমতায় ঠিকতে পারে নি। আপনারাও পারবেন না। হিটলার, আইয়ুব-এরশাদের করুন পরিণতির কথা ভুলে যাবেন না।
তিনি বলেন, সরকার সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারনে নির্বাচনের কথা বললেও এখন ৫ বছর ক্ষমতায় থাকার কথা বলছে। এ সব কথা বলে তারা মূলত জনগণের সঙ্গে প্রতারনা আর বিশ্বাসঘাতকতা করছে।
তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধে শেখ মুজিবের অবদান আমরা ছোট করে দেখি না। কিন্তু জিয়াউর রহামানের অবদানও ছোট করে দেখার কোনো অবকাশ নেই।’
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস আওয়ামী লীগ একতরফাভাবে দলীয়করন করেছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘পরিস্কার করে বলতে চাই, জিয়াউর রহমানই বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। দ্যাট ইজ ট্রুথ।’ জিয়াউর রহমানের নাম ইতিহাস থেকে মুছে দিতে সরকার পাঠ্যবইয়ে তাকে (জিয়াউর রহমান) খলনায়ক হিসেবে চিহ্নিত করেছে বলেও অভিযোগ করেন বিএনপির এ নেতা।
তিনি বলেন, যারা বাংলাদেশকে একটি স্বতন্ত্র রাষ্ট্র হিসেবে দেখতে চায় না, তারাই জিয়াউর রহমানকে হত্যা করেছে। আজও তার আদর্শ মুছে দেয়ার ষড়যন্ত্র চলছে বলে দাবি করেন তিনি।
মির্জা ফখরুল বলেন, সারা দেশের মানুষ আজকে দমবন্ধ হয়ে যাওয়ার অবস্থায় আছে। তারা বলছে এই সরকারকে আর সময় দেয়া যায় না।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ বাকশাল করে তাদের মৃত্যুঘন্টা বাজিয়েছিল। তারপর শহীদ রাস্ট্রপতি জিয়াউর রহমান আবারো বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে পূণর্জন্ম দিয়েছেন। সেই ইতিহাস স্মরণ রাখতে হবে।
ড্যাবের সভাপতি অধ্যাপক ডা. এ. কে. এম আজিজুল হকের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, ড্যাব মহাসচিব ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, ডা: মিজানুর রহমান, ডা: এম এ মান্নান মিয়া, ডা: খলিলুর রহমান, ডা: সিরাজ উদ্দিন আহমেদ, ডা: রফিকুল কবীর প্রমুখ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ড্যাবের সভাপতি ডা: মঈনুল ইসলাম।
ঢাকা, এমএইচ,২৭মে (টাইমনিউজবিডি.কম)//এসএইচ[/justify]
গণতন্ত্রের দরজা-জানালা বন্ধ করবেন না: সরকারকে ফখরুল
রাজধানীতে বিএনপিকে সভা-সমাবেশ করতে না দেয়ার তীব্র সমালোচনা করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, গণতন্ত্রের দরজা-জানালা বন্ধ করবেন না।‘অগণতান্ত্রিক’ আচরণ পরিহার করুন, কারণ এতে আপনাদের কল্যাণ হবে না। মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয়
মতভেদ ও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ গণতন্ত্রের সৌন্দর্য : রাষ্ট্রপতি
রাজনীতিতে মতপার্থক্য, গঠনমূলক সমালোচনা এবং শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ গণতন্ত্রের স্বাভাবিক ও গুরুত্বপূর্ণ অংশ বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। প্রতিহিংসার রাজনীতি গণতান্ত্রিক পরিবেশের বিকাশে বাধা সৃষ্টি করে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
গণতন্ত্র চর্চার মাধ্যমেই বিকশিত হয় : রাষ্ট্রপতি
গণতন্ত্রকে কার্যকর ও টেকসই করতে নিয়মিত চর্চার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, গণতন্ত্র কোনো একদিনে তৈরি হয় না; নিয়মিত চর্চার মধ্য দিয়ে ধাপে ধাপে এটি একটি সংস্কৃতিতে পরিণত হয়।
রাষ্ট্রপতি গণতন্ত্রকে রক্ষা করাটাই এখন সবচেয়ে বড় কাজ
গণতন্ত্রকে রক্ষা করাটাই এখন আমাদের সবচেয়ে বড় কাজ ও দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সিলেট সিটি কর্পোরেশন প্রাঙ্গণে নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত অতিথি হিসেবে বক্তব্যকালে তিনি এ কথা বলেন।
বিবৃতিতে বিরোধীদলীয় নেতা গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি ভুলে গেছে বিএনপি
১৫ সেপ্টেম্বর ‘আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস’ উপলক্ষে সোমবার গণমাধ্যমে দেয়া বিবৃতিতে বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, গণতন্ত্র কেবল সরকার গঠনের কোনো সাময়িক প্রক্রিয়া নয়, বরং এটি মানুষের মৌলিক অধিকার, সামাজিক ন্যায়বিচার, বাকস্বাধীনতা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার প্রধান ভিত্তি। গণতন্ত্র সুরক্ষিত থাকলে একটি সমাজ স্বৈরাচার, শোষণ ও বৈষম্য থেকে মুক্ত থেকে অগ্রগতির পথে এগিয়ে যেতে পারে।
রাষ্ট্রপতি গণতন্ত্রকে বাঁচাতে হলে গণমাধ্যমকেও বাঁচাতে হবে
গণতন্ত্রকে বাঁচাতে হলে গণমাধ্যমকেও বাঁচাতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, গণতন্ত্রের মূল শক্তি হচ্ছে গণমাধ্যম। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও সুশাসনের স্বার্থে গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
















