তারা বলেন, বিএনপি বার বার সাংবিধানিক শূন্যতার কথা এবং রাষ্ট্রপতির অধীনে শপথ নেয়ার বিষয়টিকে সামনে এনে সিদ্ধান্ত গ্রহণে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে। নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর পতিত ফ্যাসিবাদের পুতুল এই বিতর্কিত ব্যক্তিকে দিয়ে সংসদে জুলাই অভ্যুত্থানের পক্ষে বক্তব্য দেয়ানোর মাধ্যমে পুরো পরিস্থিতিকে আরও হাস্যকর এবং তামাশার বিষয় বানিয়ে ফেলা হয়েছিল। সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে ইমপিচমেন্ট করার উদ্যোগ গ্রহণেও বিএনপি পদক্ষেপ নিতে পারেনি।
নেতৃদ্বয় বলেন, চেপে বসা ফ্যাসিবাদের মূল শেখ হাসিনা, তার চোর-লুটেরা মন্ত্রী পরিষদ, পদলেহনকারী চিফ জাস্টিস, পুলিশ বাহিনীর হোতাবৃন্দ, দালাল সাংবাদিকগণ, ব্যবসায়ীসহ প্রধান চরিত্রের বেশিরভাগ অংশকে বিতাড়িত করতে সংগ্রামী ছাত্র-জনতার লেগেছিল মাত্র ৩৬ দিন। এর জন্য লেগেছিল সকলের ঐক্যবদ্ধতা। সংবিধানের দোহাই, সংসদ, আইনের ফাঁকফোকর কিছুরই প্রয়োজন হয়নি। কিন্তু ফ্যাসিবাদের অংশীদার পুতুল রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পুকে সরাতে সংসদের দুই-তৃতীয়াংশ আসনে বিজয়ী বিএনপির লেগেছে ১৫৮ দিন। এর অন্তরালে কী উদ্দেশ্য কাজ করেছে তা আশা করি জনগণ বিবেচনায় নেবে।
এবি পার্টির নেতারা সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর ব্যপারে দুর্নীতি, ব্যাংকের টাকা লুটপাট ও পাচারসহ আনীত সকল অভিযোগ তদন্ত করে দ্রুত আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান।
এমএম