শুক্রবার (০১ মে) বিকেলে নয়াপল্টনে শ্রমিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মে দিবস উপলক্ষে শ্রমিক দল আয়োজিত এই সমাবেশ তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথম সশরীরে প্রথম কোনো সমাবেশ।

তিনি বলেন, উপস্থিত সবার কাছে জানতে চান আমার ডানে, বামে, সামনে যারা আছেন তারা কেমন আছেন? সবাই সমস্বরে বলেন, আমরা ভালো আছি।

তিনি বলেন, আমরা স্বৈরাচারের সময়ে এই নয়াপল্টনে সমাবেশ করতে গেলে আতঙ্কে থাকতে হত। কখন স্বৈরাচারের লোকজন হামলা করে।

তিনি বলেন, এই সরকার জনগণের সরকার। জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার। আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর বন্ধ কলকারখানার বিষয় সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বসেছি। বিগত সময় যেসব কল-কারখানা বন্ধ হয়েছে তা চালু করার চেষ্টা করছি। শুধু বন্ধ কলকারখানা চালু করলেই শ্রমিকদের সমস্যার সমাধান হবে না। এর বাইরেও লাখ লাখ বেকার শ্রমিক আছে। তাদের জন্য দেশে-বিদেশে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। আমরা বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে আলাপ আলোচনা করছি। তাদের সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছি।

তিনি বলেন, বিগত সরকারের আমলে শ্রমিকদের সব অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছে। এই কারণে এদেশের মানুষ অভ্যুত্থানের মাধ্যমে তাড়িয়ে দিয়েছে।

আওয়ামী লীগ সরকারের সমালোচনা করে তারেক রহমান বলেন, আমরা দেখেছি কিভাবে অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছিল। কিভাবে স্বৈরাচারের সময় এই দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস, স্বাস্থ্য ব্যবস্থা কিভাবে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছিল আমরা দেখেছি। এভাবে প্রত্যেকটি সেক্টরকে ধ্বংস করার মাধ্যমে সব শ্রেণি পেশার মানুষকে আঘাত করা হয়েছিল। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট মানুষ স্বৈরাচারকে দেশ থেকে বিতাড়িত করেছে।

এস