বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল জব্বার বলেন, আওয়ামী লীগ মুখে মুখে যতই লম্বা কথা বলুক না কেন, মূলত তারা ভীত হয়ে পড়ছে। ভারসাম্যহীন হয়ে যা ইচ্ছা তা’ই করছে। কিন্তু এটাও বুঝতে পেরেছে যে সময় তাদের বেশি নেই। লজ্জাজনক এক পতনের প্রহর গুনছে অবৈধ আওয়ামী সরকার।
বুধবার ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের জরুরী অধিবেশনে সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। সকাল ১০টায় রাজধানীর এক মিলনায়তনে এই অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেল আতিকুর রহমানের পরিচালনায় সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মু. সেলিম উদ্দিন।
শিবির সভাপতি বলেন, হত্যা, গুম, নির্যাতনের যে নমুনা সরকার প্রতিনিয়ত যে স্থাপন করে যাচ্ছে তা স্পষ্টভাবেই পরাজিতদের মানসিকতা। পাকবাহিনী মুক্তিযুদ্ধে পরাজয় নিশ্চিত জেনে এ দেশের মানুষের ওপর যে নির্যাতন চালিয়েছিল, সরকার সেই পথ ধরেই হাঁটছে। পতন তাদের হাতছানি দিয়ে ডাকছে আর আওয়ামী লীগও লজ্জাজনক পরিণতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। বিডিআর হত্যাকাণ্ড, গণহত্যা, গুম, খুন ও নির্যাতনের কালিমা তাদের কপালে লেগে আছে। সুতরাং মুখে বিরামহীন কথামালা অব্যাহত রাখলেও অন্তর তাদের ভীত সন্ত্রস্থ। নিজেদের দূর্বলতা ঢাকার জন্যই আইন, মানবাধিকার, সম্মান ও জনমতের দিকে না তাকিয়ে ভারসাম্যহীনদের মত যা ইচ্ছা তা’ই করে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, জনগণ আওয়ামী সরকারের অপশাসন ভুলে যাবে না। অপশাসনে জড়িত অবৈধ সরকারের প্রত্যেক কর্তাব্যক্তিকে যথাযথ শাস্তি ভোগ করতে হবে। আজ যারা অবিচার জুলুম করছে তার হিসেব জনগণ কড়ায় গন্ডায় আদায় করবে। একজনও গা বাঁচানোর কোনো সুযোগ পাবে না। হত্যা, গুম ও নির্যাতনের নির্দেশদাতা থেকে শুরু করে যারা সরাসরি বা পরোক্ষভাবে সম্পৃক্ত, প্রত্যেককেই বিচারের সম্মুখীন হতে হবে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মু.সেলিম উদ্দিন বলেন, ছাত্রজনতা যেভাবে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে তাতে সফলতা আসবেই ইনশাআল্লাহ। আন্দোলনের মাধ্যমেই অপশাসনের হাত থেকে বাংলার আপামর জনতাকে মুক্ত করতে হবে। বাংলার প্রতিটি জনপদে আমাদের নেতাকর্মীরা বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়ে বাতিলের মোকাবেলা করে যাচ্ছে। সুতরাং সময়ের ব্যবধানে প্রতি ইঞ্চি মাটি ইসলামী আন্দোলনের উর্বর ঘাটিতে পরিণত হবে ইনশাআল্লাহ।
ধৈর্য্য ও সাহসীকতার সাথে বিরামহীন আন্দোলন চালিয়ে যেতে ছাত্রজনতার প্রতি তিনি আহ্বান জানান।
কেএইচ





