ঢাকা-১০ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শেখ রবিউল আলম রবি অভিযোগ করেছেন, প্রশাসনের সহযোগিতায় ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরা সব কেন্দ্র থেকে ধানের শীষের প্রায় ৮৫০ জন এজেন্টের বের করে দিয়েছে।

আজ (২১ মার্চ) শনিবার সকাল সাড়ে ৯টায় ধানমণ্ডি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেয়ার পর সাংবাদিকদের কাছে তিনি এই অভিযোগ করেন।

রবি বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এক হয়ে সব কেন্দ্র থেকে ধানের শীষের এজেন্টদের বের করে দিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ফের একটি ব্যর্থ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। নির্বাচন ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। একটি আসনে এমন নির্বাচন না করে ঘোষণা দিলেই পারত।

বিএনপির এই প্রার্থী বলেন, সরকার এতই ভীতু যে করোনাভাইরাস উপেক্ষা করে মানুষ ভোট দিতে আসলেও ভোট দিতে পারছে না। নির্বাচনকে একটি প্রহসনে পরিণত করছে, নির্বাচনের নামে প্রহসন চলছে।

রবি বলেন, প্রার্থী হিসেবে আমি ভোট দিতে পেরেছি এটা আমার সৌভাগ্য। কিন্তু জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারছে না।

এসময় রবির প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা-১০ আসনে ভোটগ্রহণ হচ্ছে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম)। শনিবার (২১ মার্চ) সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে চলবে ভোটগ্রহণ কার্যক্রম।

সিটি নির্বাচনে অংশ নিতে ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস পদত্যাগ করায় ঢাকা-১০ আসনটি গত ২৯ ডিসেম্বর শূন্য ঘোষণা করা হয়। রাজধানীর ধানমণ্ডি, নিউমার্কেট, কলাবাগান, শেরেবাংলা ও লালবাগ থানা এলাকা নিয়ে গঠিত এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৬ জন।

তারা হলেন- আওয়ামী লীগের শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, বিএনপির শেখ রবিউল আলম, জাতীয় পার্টির হাজী মো. শাহজাহান, প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দলের কাজী মুহাম্মদ আবদুর রহিম, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের নবাব খাজা আলী হাসান আসকারী ও বাংলাদেশ কংগ্রেসের মিজানুর রহমান।

এই আসনে ভোটার ৩ লাখ ২১ হাজার ২৭৫ জন, ভোটকেন্দ্র ১১৭টি ও ভোটকক্ষ ৭৭৬টি। এ আসনটিতে ইভিএমে ভোটগ্রহণ হবে। ভোটকেন্দ্রের ঝুঁকি বিবেচনায় পুলিশ ও আনসারের ১৪-১৬ জন সদস্য মোতায়েন করা হবে। নির্বাচনী এলাকায় ৬ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি র‌্যাবের টিমও।

এমবি