উপজেলা নির্বাচনে বিএনপির অংশ গ্রহণ সন্দেহ জনক বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার ও সমবায় মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম।
সোমবার বিকালে মিরপুর গোলারটেক খেলার মাঠে ঢাকা ১৪ আসনের অন্তগর্ত মিরপুর, শাহআলী, দারুস সালাম ও রুপনগর থানা এবং ৭, ৮, ৯, ১০, ১১, ১২, ১৩ ও ৯৩ ওয়ার্ডের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া উপজেলা নির্বাচনে বিশ্বাস করেন না বলে- ৯১ সালে ক্ষমতায় বসেই সমস্ত উপজেলা চেয়ারম্যানদের বরখাস্ত করেছিলেন। তাহলে তিনি কেন এখন উপজেলা নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন?
তিনি আরও বলেন, আমরা উপজেলা নির্বাচনে বিশ্বাস করি। স্থানীয় সরকারের মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন করি। স্থানীয় সরকারকে আরও গতিময় করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আমি দৃঢ় প্রত্যয়ব্যাক্ত করেছি।
উপজেলা নির্বাচনের বিষয়ে সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেন, দেশের সকল নির্বাচনই রাজনৈতিক ভাবে হয়। অথচ আমাদের দেশে জাতীয় নির্বাচন দলীয় ভাবে হলেও স্থানীয় নির্বাচনে দলীয় প্রতীক ব্যবহার করা যায়না। একই দেশে দু’ধরনের বিধান এক সঙ্গে চলতে পারে না। পৃথীবির কোথাও এমন ব্যবস্থা নেই।
মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সিটি করপোরেশন আইন, উপজেলা আইন, ইউনিয়ন আইন এমনকি গ্রামের পঞ্চায়েত নির্বাচনের ক্ষেত্রে যে আইন রয়েছে তা খতিয়ে দেখতে বলেছেন। যাতে করে আগামী উপজেলা নির্বাচন দলীয় ভাবে হয় এবং প্রর্থীরা দলীয় প্রতীক ব্যবহার করতে পারেন।
হলফনামা হচ্ছে রাজনীতিবীদদের চরিত্র হরণনামা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সাধারণ মানুষ এবং রাজনীতিবীদ আমরা সকলেই ইনকাম ট্যাক্স দিই। সেখানেই আমাদের সম্পদের হিসাব থাকে। আবার নির্বাচন করতে গেলে সেখানে আমাদের হলফনামা দিতে হয়। তাহলে সাধারণ মানুষের জন্য এক আইন এবং আমাদের জন্য আরেক আইন। এক দেশে দুই ধরণের আইন চলতে পারেনা বলে মন্তব্য করেন তিনি।
যারা নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন চায় তারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করেনা বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
আওয়ামী পরিবার ও সাধারণ জনগনসহ সকলকে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বাস্তবায়নে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বানও জানান সৈয়দ আশরাফ।
জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্যমে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এম এ আজিজ।
মিরপুর থানা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আগা খান মিন্টুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাসিম, ঢাকা ১৪ আসনের এমপি আসলামুল হক। ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আব্দুল হক সবুজ, দপ্তর সম্পাদক শহিদুল ইসলাম প্রমুখ।
ঢাকা, এমআর, ৩ মার্চ ( টাইমনিউজবিডি.কম ) //এসআর
উপজেলা নির্বাচনে বিএনপির অংশগ্রহণ সন্দেহ জনক: আশরাফ
উপজেলা নির্বাচনে বিএনপির অংশ গ্রহণ সন্দেহ জনক বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার ও সমবায় মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। সোমবার বিকালে মিরপুর গোলারটেক খেলার মাঠে ঢাকা ১৪ আসনের অন্তগর্ত মিরপুর, শাহআলী,
‘শিল্পাঞ্চলে অস্থিরতার জন্য সরকারের অপরিপক্ব সিদ্ধান্ত দায়ী’
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) রাজনৈতিক পর্ষদের সদস্য আব্দুল হান্নান মাসউদ বলেছেন, দেশের শিল্পাঞ্চলগুলোতে যে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তার জন্য সরকারের অপরিকল্পিত ও অপরিপক্ব সিদ্ধান্ত দায়ী। শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করার পাশাপাশি শিল্পকারখানার মালিক ও শ্রমিকদের সঙ্গে আলোচনা করে সংকট সমাধান করুন।
শ্রমিক অসন্তোষকে পুঁজি করে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা চলছে: রিজভী
শ্রমিক অসন্তোষকে কাজে লাগিয়ে সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন মহল ষড়যন্ত্র করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি দাবি করেন, পরাজিত শক্তি শ্রমিকদের ভুল বুঝিয়ে রাস্তায় নামানোর চেষ্টা করছে। তবে এসব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে গণতন্ত্রের ভিত্তি মজবুত করতে সরকার কাজ করছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ শ্রমিকদের বিক্ষোভে কিছু শিল্পমালিক,সাবেক এমপি-মন্ত্রীরাও জড়িত
পোশাকশ্রমিকদের চলমান বিক্ষোভকে ঘিরে অস্থিরতা তৈরির অভিযোগ উঠেছে কয়েকজন শিল্পমালিকের বিরুদ্ধে। তাদের মধ্যে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা রয়েছেন। এ ছাড়া সাবেক সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রীরাও এতে জড়িত বলে দাবি করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
আমুসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল
চব্বিশের জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান চলাকালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক মন্ত্রী আমির হোসেন আমুসহ কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ফরমাল চার্জ (আনুষ্ঠানিক অভিযোগ) দাখিল করা হয়েছে।
শ্রমিক আন্দোলনের নামে অস্থিরতার নেপথ্যে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ
রাজধানীর মিরপুর ও আশপাশের এলাকায় পোশাক শ্রমিকদের নামে সংগঠিত সহিংসতায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা সরাসরি উসকানি ও নাশকতায় জড়িত রয়েছে বলে জানিয়েছে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা। সাধারণ শ্রমিকদের এই যৌক্তিক আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত ও দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে সরকারি দায়িত্বশীল মহল থেকেও জানানো হয়েছে।















