বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বিশিষ্ট সাংবাদিক ও আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে তিন বছর অন্যায়ভাবে আটকে রেখেছে এই জুলুমবাজ সরকার। কারাবন্দী মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে নতুন করে নাশকতার একটি পুরনো মামলায় জড়িত করে রিমান্ড আবেদনের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব বলেন, “গণতন্ত্রকে হত্যা করার জন্য বিরোধীদলকে ধ্বংস করার যেসব মহাপরিকল্পনা সরকার গ্রহণ করেছে তার অন্যতম হচ্ছে মানুষের কন্ঠরোধ করা। আর এজন্য গণমাধ্যমকে প্রবল হুমকির মধ্যে রাখা হয়েছে। তারই অংশ এই ভোটারবিহীন নির্বাচনের সরকার।
আর এই কারনেই স্বাধীন বিবেকের প্রতিনিধি আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে তিন বছরের বেশি সময় ধরে মিথ্যা মামলা দিয়ে আটক করে রাখা হয়েছে। জোর করে ক্ষমতাদখলকারী এই অবৈধ সরকার শুধুমাত্র গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণই করছে না বরং স্পষ্টভাষী সাংবাদিক ও সম্পাদকদের মিথ্যা মামলায় আটক ও নির্যাতন করে গণমাধ্যমের কন্ঠরোধ করতে দলন-নিপীড়ণ অব্যাহত রেখেছে। মিথ্যা ও রাজনৈতিক হীন উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা দায়ের করে দেশের বিশিষ্ট সাংবাদিক ও দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে দীর্ঘদিন ধরে কারাগারে আটক রেখে তাঁকে তিলে তিলে নি:শেষ করার ষড়যন্ত্র করছে সরকার।
সরকারের রোষানলের শিকার হওয়ার কারনেই বারবার উচ্চ আদালত থেকে সবগুলো মামলায় জামিন পেলেও নতুন নতুন সাজানো মিথ্যা মামলায় তাঁকে ধারাবাহিকভাবে শ্যোন এ্যারেষ্ট করে কারাগারে আটকে রাখা হচ্ছে।
তিনি প্রায় তিন বছর ধরে কারাগারে থাকলেও গতকাল বুধবার কোতোয়ালী থানার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০১৩ তারিখের নাশকতার একটি বানোয়াট ও মিথ্যা মামলায় তাঁকে আবারো গ্রেফতার দেখিয়ে পুলিশ আদালতে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে। আদালত আগামী ১২ এপ্রিল ২০১৬ তারিখে রিমান্ড আবেদনের ওপর শুনানীর দিন ধার্য করেছেন।
কারাগারে আটক থাকা অবস্থায় নতুন করে মাহমুদুর রহমানকে আটক দেখিয়ে রিমান্ড চাওয়া সম্পূর্ণ অমানবিক ও সরকারের নিষ্ঠুর প্রতিহিংসা চরিতার্থেরই বহি:প্রকাশ। আমি আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক কারাবন্দী অসুস্থ মাহমুদুর রহমানের রিমান্ড আবেদন বাতিল করে তাঁর বিরুদ্ধে দায়েরকৃত সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও অবিলম্বে নি:শর্ত মুক্তির জোর দাবি করছি।”
এআই





