যশোর জেলা ইসলামী ছাত্রশিবিরের এইচআরডি সম্পাদক মোঃ নূরুজ্জামান, পশ্চিম সাংগঠনিক জেলার সাহিত্য সম্পাদক আবুল কাসেম ও একটি ইউনিয়নের সেক্রেটারী হাফেজ মোঃ বিল্লালকে গ্রেফতার করার পর পুলিশ তাদের গ্রেফতারের কথা অস্বীকার করায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও সাবেক এমপি ডা: সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।
শনিবার প্রদত্ত এক বিবৃতিতে বলেন, “ইসলামী ছাত্রশিবিরের তিনজন নেতাকে গ্রেফতারের পর পুলিশ তাদের গ্রেফতারের কথা অস্বীকার করে মূলতঃ প্রকৃত সত্যকে গোপন করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
যশোরে ইসলামী ছাত্রশিবিরের তিনজন নেতাকে গ্রেফতার করার পর তাদের গ্রেফতারের কথা পুলিশের অস্বীকার করার কারণে ইসলামী ছাত্রশিবিরের গ্রেফতারকৃত নেতাদের পরিবার-পরিজনদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।
ছাত্রশিবিরের তিনজন নেতার জীবন নিয়ে তাদের আত্মীয়, পরিবার-পরিজন গভীরভাবে শঙ্কিত। ছাত্রশিবিরের গ্রেফতারকৃত নেতাদের ব্যাপারে আমরাও গভীরভাবে উদ্বিগ্ন ও উৎকণ্ঠিত। শিবিরের গ্রেফতারকৃত নেতারা কোথায় কী অবস্থায় আছে তা তাদের পরিবার-পরিজন জানতে চায়।
কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করার পর তাকে গ্রেফতার করার কথা অস্বীকার করা আইনের শাসন ও মানবাধিকারের সম্পূর্ণ পরিপন্থী।
সরকারের এ ধরনের জঘন্য আচরণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সোচ্চার হওয়ার জন্য আমি দেশের জনগণ এবং সকল আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার প্রতি আহবান জানাচ্ছি।
যশোরে ইসলামী ছাত্রশিবিরের গ্রেফতারকৃত তিনজন নেতাকে অবিলম্বে মুক্তি দিয়ে তাদের পরিবারের কাছে পৌঁছিয়ে দেয়ার জন্য আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহবান জানাচ্ছি।”
এমবি





