পাবনার সাঁথিয়ায় আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপের মুখোমুখি সংঘর্ষে ২ জন গুলিবিদ্ধসহ ৭ জন আহত হয়েছে। রোববার বেলা সাড়ে ১১টায় সাঁথিয়া আওয়ামী লীগের একটি গ্রুপ পৌরবাসীর ব্যানারে পৌর মেয়র মিরাজুল ইসলাম প্রামানিকের বিরুদ্ধে যড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে পুলিশ পাহারায় একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়।

একই সময়ে উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক তপন হায়দার সানের নেতৃত্বে অপর একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হলে উভয়ের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। এ সময় উভয় গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ইট পাটকেল নিক্ষেপের এক পর্যায়ে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ প্রথমে লঠিচার্জ ও পরে ১২ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ও ১৮ রাউন্ড টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে। এ ঘটনায় এলাকায় আতংক ছড়িয়ে পরায় লোকজন ছুটাছুটি করতে থাকে এবং মুহুর্তের মধ্যে দোকান পাট বন্ধ হয়ে যায়।

সংঘর্ষে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তপন হায়দার সান(৫০) ও ছেচানিয়া গ্রামের আ. সবুরের স্ত্রী মারুফা খাতুন(২৩) গুলিবিদ্ধ ও ইট পাটকেল নিক্ষেপে খলিসাখালী গ্রামের মহরম(৪৫), তেঘড়ি গ্রামের মানিক মিয়া(২৮), বোয়াইলমারী গ্রামের গাজিউর রহমান(৪৫), এস,আই সাইফুল ইসলাম, কনস্টেবল সোহাগ মাহমুদ আহত হয়।

আহতদের সাঁথিয়া ও বেড়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গুলিবিদ্ধ মারুফা খাতুনের অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় পাবনা হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

সাঁথিয়া পৌরসভার প্যানেল মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল হাই অভিযোগ করেন, সাঁথিয়া পৌরসভার মেয়র মিরাজুল ইসলাম প্রামানিকের বিরুদ্ধে যড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা করার প্রতিবাদে পৌরবাসীর ব্যানারে শান্তিপূর্ণ একটি মিছিল বের করা হয়।

এসময় আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক ও তার লোকজন আমাদের মিছিলের উপর হামলা চালায়।
সাঁথিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ নাসির উদ্দিন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইন শঙ্খলা বাহিনী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কোন লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় পৌরসদরে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা রয়েছে।


মাহমুদ