শ্রমিক অধিকারের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: বিবৃতিতে ডা. শফিকুর রহমান ১৮৮৬ সালের শিকাগোর শ্রমিকদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে বলেন, অধিকার প্রতিষ্ঠার সেই আন্দোলনের লক্ষ্য আজও পুরোপুরি সফল হয়নি। তিনি বলেন, “আজও শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনার দাবিতে রাজপথে আন্দোলন করতে হয় এবং অনেক ক্ষেত্রে জীবন দিতে হয়। মালিকপক্ষ নিজেদের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে শ্রমিকদের বঞ্চিত করার ফলে যেমন শ্রমিকের ক্ষতি হচ্ছে, তেমনি উৎপাদনশীল প্রতিষ্ঠানও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।”

ইসলামী শ্রমনীতির গুরুত্ব: শ্রমিকদের বর্তমান দুরাবস্থা ও মালিক-শ্রমিক দ্বন্দ্ব নিরসনে ইসলামী শ্রমনীতি চালুর দাবি জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, “রাসূলে করীম (সা.) শ্রমিকের গায়ের ঘাম শুকানোর আগেই তার পাওনা পরিশোধের তাগিদ দিয়েছেন। মানবরচিত কোনো মতবাদ মানুষের সমস্যার সঠিক সমাধান দিতে সক্ষম নয়। মালিক ও শ্রমিক উভয়ের প্রকৃত কল্যাণ কেবল ইসলামী শ্রমনীতি বাস্তবায়নের মাধ্যমেই সম্ভব।”

নির্যাতন বন্ধের আহ্বান: বিবৃতিতে তিনি কল-কারখানা ও উৎপাদন খাতে চলমান অস্থিরতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। আন্দোলনরত শ্রমিকদের ছাঁটাই, মামলা-হামলা এবং গুলি করে হতাহত করার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, এই পরিস্থিতির অবসান ঘটিয়ে শ্রমিক সমাজের মুক্তি নিশ্চিত করতে হবে।

সবশেষে, দেশে বিরাজমান সংকটময় পরিস্থিতিতে যথাযথ গুরুত্বের সাথে ‘মে দিবস’ পালনের জন্য দেশের সর্বস্তরের শ্রমজীবী সমাজ ও দেশবাসীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান ডা. শফিকুর রহমান।

এমএম