শুক্রবার সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে সাঈদীর তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতে তাকে স্মরণ করে এসব কথা বলেন তিনি।

মামুনুল হক বলেন, ২০২৩ সালের ১৪ আগস্ট মাওলানা সাঈদী ইন্তেকাল করেন। তার জীবন, তার বিরুদ্ধে পরিচালিত বিচারিক প্রক্রিয়া এবং পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ বাংলাদেশের ইতিহাসে ‘ফ্যাসিবাদী জুলুমের এক নির্মম দৃষ্টান্ত’ হয়ে থাকবে।

২০১৩ সালে তার মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে সারা দেশে ব্যাপক বিক্ষোভের কথাও উল্লেখ করেন তিনি। ওই সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গুলিতে দেশের বিভিন্ন স্থানে বহু মানুষ নিহত হন বলে দাবি করেন মামুনুল হক।

সাঈদীর মৃত্যুর পরও তাকে ঘিরে জুলুমের অধ্যায় শেষ হয়নি বলে মন্তব্য করেন মামুনুল হক।

তিনি বলেন, ঢাকায় সাঈদীর জানাজার আয়োজনের সুযোগ দেওয়া হয়নি। এমনকি তার অসিয়ত করা স্থানে দাফনের আকাঙ্ক্ষাও বাস্তবায়ন করতে দেওয়া হয়নি। শেষ পর্যন্ত পিরোজপুরের সাঈদখালীতে তাকে দাফন করা হয়।

মামুনুল হকের ভাষায়, একজন আলেমের জীবন ও মৃত্যুর পরও তার মর্যাদা ও শেষ ইচ্ছার প্রতি যে আচরণ করা হয়েছে, তা দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি বেদনাদায়ক অধ্যায়।

মামুনুল হক বলেন, সাঈদীর ইন্তেকালে তারা একজন আলেম ও দাঈকে হারিয়েছেন। তবে তার দাওয়াত ও অবদান মানুষের হৃদয়ে বেঁচে থাকবে।

তিনি আরও বলেন, ‘জুলুম কখনো স্থায়ী হয় না। ক্ষমতার দম্ভ ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসা দিয়ে সত্যকে চিরদিন আড়াল করে রাখা যায় না। ইতিহাস একদিন প্রত্যেক জুলুমের হিসাব নেবে।’

সাঈদীর ওপর সংঘটিত জুলুম এবং তার মৃত্যুদণ্ডের রায়কে কেন্দ্র করে নিহত মানুষদেরও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন মামুনুল হক।

তিনি নিহতদের শহীদের মর্যাদা দেওয়ার জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করেন এবং মাওলানা সাঈদীর জন্য জান্নাতুল ফেরদাউস কামনা করেন।

এস