বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের হত্যাকাণ্ডে সবচেয়ে বেশি লাভবান হয়েছেন তার স্ত্রী খালেদা জিয়া। দুইবার প্রধানমন্ত্রীও হয়েছেন। তিনি এই সুযোগে দলের চেয়ারপারসন হয়েছেন। বললেন, তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক হাছান মাহমুদ।
শনিবার ঢাকার বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত ‘শেখ হাসিনার কারাবন্দি দিবস' উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এই সন্দেহের কথা জানান।
আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী বলেন, জিয়ার হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে বিএনপির ঊর্ধ্বতন নেতারা জড়িত হতে পারে। এটা খুঁজে বের করা দরকার। কারণ, জিয়ার মৃত্যুর পরে বিএনপি দুই বার ক্ষমতায় এলেও জিয়া হত্যার মামলা করেনি দলটি।এই রহস্যটা খুঁজে বেড় করা দরকার।
তিনি বলেন, ছুটিতে থাকা সেনাবাহিনীর অফিসারকে ধরে এনে ফাঁসি দেয়া হল। সে জানলো না, কী কারণে তাকে ফাঁসি দেওয়া হল। এভাবে বিনাবিচারে শতশত সেনাবাহিনীর অফিসারকে হত্যা করেছে।”
জিয়ার ছেলে তারেক রহমানকে নিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, “বিএনপি একজন নেতা খুঁজে পেলেন না, তাই তারা একুশে অগাস্ট গ্রেনেড হামলার মামলার দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি এবং দুর্নীতি মামলার আসামি তারেক রহমানকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান করলেন।
রাজনীতি করতে হলে সাহস থাকতে হয়। বুলেটের সামনে দাঁড়াতে হয়। যে রাজনীতিবিদ দলের নেতৃত্ব দিতে পারে না, সে রাজনীতিবিদ সঠিক রাজনীতিবিদ নয়। তিনি সাত সমুদ্র তের নদীর পাড়ে বসে নানা কথা বলেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমি মনে করি, বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের সাথে জিয়াউর রহমান ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
হাছান মাহমুদ বলেন, ‘গেল ৩৮ বছরে শেখ হাসিনা সমস্ত প্রতিবন্ধকতা, দুর্বিপাক উপেক্ষা করে বাঙালি জাতির পাশে ছিলেন এবং আছেন।
আজ তিনি শুধু আওয়ামী লীগের নেতা নন, বাংলাদেশের নেতা নন, বিশ্বনেতায় পরিণত হয়েছেন।’
এএস





