গণমাধ্যম হচ্ছে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্থম্ভ। শাসন ও প্রশাসনকে সীমার মধ্যে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ নজরদারির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। স্নেহময়ী মাতার মতো। শাসনও করে আবার হাত ধরে সামনে হাঁটাতে সাহায্যও করে বলেছেন- তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু।
বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবের মিলনায়তনে ঢাকা সাব-এডিটরস কাউন্সিল(ডিএসইসি) আয়োজিত সংগঠনের বার্ষিক সাধারণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় তিনি গণতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত শক্তিশালী গণমাধ্যম দরকার বলে মন্তব্য করেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যম কখনো গণতন্ত্রের প্রতিপক্ষ হিসেবে নিজেকে দাঁড় করায় না। গণমাধ্যম গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে, সামনে এগুতে সহযোগিতা করে। সুতরাং রাজনীতিবিদরা ভুল করতে পারে কিন্তু গণমাধ্যম কর্মীরা কখনো ভুল করতে পারে না।
তিনি আরও বলেন, সাব এডিটররা অনেক দায়িত্ব নিয়ে কাজ করেন। আমার ভুল আপনি শোধরাবেন কিন্তু আপনার ভুল শোধরানোর কোনো জায়গা নেই। সুতরাং আপনারা দক্ষতার সঙ্গে ভুল না করে কাজ করবেন এটাই সবাই আশা করে। আপনাদের সজাগ থাকতে হয়।
তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, গণমাধ্যমের মতো রাজনীতিও মাঝেমধ্য সাম্প্রদায়িকতা, জঙ্গীবাদী, ধর্মান্ধতার ঝাপটায় আক্রান্ত হয়। এরকম অবস্থাতেও আমাদের কাজ করতে হয়। এগুলো আমরা অতীত থেকেই পেয়ে আসছি। তাই গণমাধ্যমকে নিরপেক্ষ, বন্তনিষ্ট হতে হবে। বস্তনিষ্টতা গণমাধ্যমের চালিকা শক্তি।
ওয়েজবোর্ড সম্পর্কে হাসানুল হক ইনু বলেন, ধারাবাহিকভাবে নজরদারির অভাবে মালিকপক্ষ ওয়েজবোর্ড দিতে গাফলতি করেন। এ বিষয়ে আমরা বিভিন্ন উদ্যোগও নিয়েছি। সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ, মালিকপক্ষ, নজরদারি ও তদারকি করলে এ সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসা সম্ভব হবে।
সাব এডিটরদের জন্য ডেস্ক অ্যালাউন্স দেওয়ার বিষয়টি নতুন ওয়েজবোর্ড কমিটির কাছে সুপারিশ করা হবে বলেও জানান তিনি।
ঢাকা সাব-এডিটরস কাউন্সিলের সভাপতি এনায়েত ফেরদৌস এর সভাপতিত্বে সভায় অন্যান্যের মধ্য বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, জনতা ব্যাংক এর লিঃ পরিচালক আবু নাসের, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহজাহান মিয়া প্রমুখ।
[b]ঢাকা, ২ এপ্রিল (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেআই[/b]
'গণতন্ত্রের জন্য শক্তিশালী গণমাধ্যম দরকার'
গণমাধ্যম হচ্ছে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্থম্ভ। শাসন ও প্রশাসনকে সীমার মধ্যে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ নজরদারির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। স্নেহময়ী মাতার মতো। শাসনও করে আবার হাত ধরে সামনে হাঁটাতে সাহায্যও করে বলেছেন- তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু।
মতভেদ ও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ গণতন্ত্রের সৌন্দর্য : রাষ্ট্রপতি
রাজনীতিতে মতপার্থক্য, গঠনমূলক সমালোচনা এবং শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ গণতন্ত্রের স্বাভাবিক ও গুরুত্বপূর্ণ অংশ বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। প্রতিহিংসার রাজনীতি গণতান্ত্রিক পরিবেশের বিকাশে বাধা সৃষ্টি করে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
গণতন্ত্র চর্চার মাধ্যমেই বিকশিত হয় : রাষ্ট্রপতি
গণতন্ত্রকে কার্যকর ও টেকসই করতে নিয়মিত চর্চার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, গণতন্ত্র কোনো একদিনে তৈরি হয় না; নিয়মিত চর্চার মধ্য দিয়ে ধাপে ধাপে এটি একটি সংস্কৃতিতে পরিণত হয়।
রাষ্ট্রপতি গণতন্ত্রকে রক্ষা করাটাই এখন সবচেয়ে বড় কাজ
গণতন্ত্রকে রক্ষা করাটাই এখন আমাদের সবচেয়ে বড় কাজ ও দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সিলেট সিটি কর্পোরেশন প্রাঙ্গণে নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত অতিথি হিসেবে বক্তব্যকালে তিনি এ কথা বলেন।
বিবৃতিতে বিরোধীদলীয় নেতা গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি ভুলে গেছে বিএনপি
১৫ সেপ্টেম্বর ‘আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস’ উপলক্ষে সোমবার গণমাধ্যমে দেয়া বিবৃতিতে বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, গণতন্ত্র কেবল সরকার গঠনের কোনো সাময়িক প্রক্রিয়া নয়, বরং এটি মানুষের মৌলিক অধিকার, সামাজিক ন্যায়বিচার, বাকস্বাধীনতা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার প্রধান ভিত্তি। গণতন্ত্র সুরক্ষিত থাকলে একটি সমাজ স্বৈরাচার, শোষণ ও বৈষম্য থেকে মুক্ত থেকে অগ্রগতির পথে এগিয়ে যেতে পারে।
রাষ্ট্রপতি গণতন্ত্রকে বাঁচাতে হলে গণমাধ্যমকেও বাঁচাতে হবে
গণতন্ত্রকে বাঁচাতে হলে গণমাধ্যমকেও বাঁচাতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, গণতন্ত্রের মূল শক্তি হচ্ছে গণমাধ্যম। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও সুশাসনের স্বার্থে গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
















