মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মোহাম্মদ কামারুজ্জামানের বড় ছেলে হাসান ইকবাল ওয়ামি বলেছেন, তার বাবা মানসিকভাবে দৃঢ় রয়েছেন, যে রায় দেয়া হয়েছে তা ভিত্তিহীন। তাকে আমরা হাসিমুখে বিদায় জানিয়েছি।
সোমবার রাতে কামারুজ্জামানের সাথে সাক্ষাৎ শেষে তিনি একথা জানান।
ওয়ামি বলেন, বিচারের নামে তার সাথে অবিচার ও জুলুম করা হয়েছে। রায় কার্যকর করা নিয়ে তিনি এবং আমরা কেউ বিচলিত নই।
কামরুজ্জামানের পরিবার বিচলিত নয়, তার জন্য পরিবারের সদস্যরা 'ভি' প্রতীকী দেখিয়ে বলেন, আমরা বিজয় হয়েছি।
ওয়ামি বলেন, শেরপুরে সোহাগপুরে যে ঘটনার জন্য আমার বাবাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে তার সাথে বিন্দু মাত্র তিনি জড়িত নন। প্রধানমন্ত্রী থেকে এর সাথে যারাই জড়িত আছেন আল্লাহ তাদের বিচার করবেন।
কামরুজ্জামানের শেষ ইচ্ছা কি জবাবে তার ছেলে বলেন, আবার বাবার শেষ ইচ্ছা হলো ইসলামকে বিজয় করা এবং শেরপুরে যে ইয়াতিমখানা রয়েছে তা ভালোভাবে পরিচালনা করা।
ওয়ামি বলেন, বাবা তরুন প্রজন্মকে উদ্দেশ্য করে বলেন, তরুন প্রজন্মই এ অবিচারের সমুচিত জবাব দিবে।
পূর্বের ন্যায় আজকেও সৎ উপার্জন, সৎ পথে চলার জন্য আদেশ দেন বাবা।
উল্লেখ্য, এর আগে সন্ধ্যা ৬ টা ৩৭ মিনিটে তারা ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রবেশ করেন। এরপর রাত পৌনে ৮টার দিকে বেরিয়ে যান।
এ সময় কামারুজ্জামানের স্ত্রী নূরুন্নাহার, বড় ছেলে হাসান ইকবাল, মেঝো ছেলে হাসান ইমাম, মেয়ে আতিয়া নূর, ভাগ্নি রুখশানা জেরিনসহ ১২ জন সদস্য উপস্থিত ছিলেন। তাদের সঙ্গে তিনজন শিশুও ছিল।
বিকেল তিনটার দিকে কামারুজ্জামানের সাথে দেখা করতে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের পক্ষ থেকে পরিবারকে চিঠি পাঠানো হয়।
এসএইচ





