গরীব চা বিক্রেতা বাবুল মাতব্বরের ওপর ‘হামলাকারী’ ও ‘হত্যাকারী’ পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বৃহস্পতিবার রাতে দলের যুগ্ম মহাসচিব এ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে তিনি এ দাবি জানান।

রাজধানীর মিরপুর ১ নম্বর গুদারাঘাটে বুধবার রাতে চাঁদা না পেয়ে পুলিশ চা বিক্রেতা বাবুলের চায়ের দোকানের কেরোসিনের চুলায় বাড়ি মারলে কেরোসিন ছিটকে বাবুলের গায়ে আগুন ধরে যায়। বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বাবুল মাতব্বর মারা যান।

বিবৃতিতে এই ‘অমানবিক ও বর্বোরোচিত’ ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন মির্জা ফখরুল।

তিনি বলেন, ‘দেশবাসী আজ আওয়ামী দূঃশাসকদের নির্মম, পৈশাচিক ও দূর্ধর্ষ সব সন্ত্রাসী তাণ্ডব দেখে আতঙ্কিত। পুলিশ এখন নিজেরাই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করছে।’

দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালন পুলিশের কর্তব্য হলেও তা না করে পুলিশ এখন ‘চাঁদাবাজির মতো’ কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়ে ‘দুষ্টদের উৎসাহিত’ করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘গরীব মানুষের কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের মতো অমানবিক ও নির্দয় কর্মকাণ্ড দেখে দেশবাসী এখন হতবাক ও বিস্মিত। পুলিশের জুলুমবাজী ও পৈশাচিক কর্মকান্ড দেশকে চরম নৈরাজ্যের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।’

এমএম