ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগকেপ্রতি হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এখনো সময় আছে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে রাজনীতির বর্তমান সংকট সমাধান করুন। সবার অংশগ্রহণে নিরপেক্ষ নির্বাচনের ব্যবস্থা করুন। নয়তো জনগণের উত্তাল আন্দোলনের তরঙ্গে ভেসে যাবেন আপনারা।

বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির (ন্যাপ ভাসানী) ৫৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, সরকার দেশে চরম দুঃশাসন চালাচ্ছে। এ অবস্থায় চুপ করে ঘরে বসে থাকার সময় নেই। আন্দোলনের মাধ্যমে জনগণের সরকার গঠন করতে হবে।

সরকার মিডিয়া নিয়ন্ত্রন করতে চাইছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, “মিডিয়ার ওপর নীরব সেন্সরশিপ চলছে। আওয়ামী লীগের মন্ত্রী সৈয়দ মোহসীন আলী বলেছেন, এমন আইন করা হবে যে আপনাদের লেখার স্বাধীনতা থাকবে না।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ মুখে গণতন্ত্রের কথা বলে। আসলে তারা জনগণের অধিকারকে হত্যা করতে চায়। তারা দলীয় স্বার্থে লুঠপাট লুণ্ঠন করেছে। এটা তাদের ইতিহাস। এ কারণে মওলানা ভাসানী তাদের নাম দিয়েছিলেন নিখিল বাংলাদেশ লুটপাট সমিতি।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিত তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘এখন এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যে, র‌্যাব-পুলিশ নিরীহ মানুষকে থানায় তুলে নিয়ে পায়ে গুলি করে বন্দুকযুদ্ধের নামে মেরে ফেলছে।’

এ সময় তিনি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক পরিবেশ অর্জন না করা পর্যন্ত আন্দোলন চলবে বলেও জানান।

বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘এখন দেশে একদলীয় শাসন চলছে। শহরকেন্দ্রিক আন্দোলন করে সরকারের পতন হবে না। গ্রাম থেকে গ্রামে আন্দোলন ছড়িয়ে দিতে হবে। এই ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারের পতন নিশ্চিত হবে।’

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, ‘আওয়ামী লীগ একদলীয় শাসন পছন্দ করে। তারা ১৯৭৪ সালেও গণহত্যা, নির্যাতন চালিয়েছিল। এখন ভিন্ন লেবাসে একদলীয় শাসন কায়েমের চেষ্টা চালাচ্ছে।’

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির সভাপতি অ্যাডভোকেট আজহারুল ইসলাম।

ঢাকা, এমএইচ, ২৩ জুলাই,টাইমনিউজবিডি.কম, জেএ, এসএইচ