প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মীর নুরুল ইসলাম বলেন, “ইউনিট সংগঠনই ইসলামী আন্দোলনের মূল চালিকাশক্তি। তাই ইউনিটগুলোকে আরও সক্রিয় ও গতিশীল করতে দায়িত্বশীলদের মেধা, যোগ্যতা ও কর্মতৎপরতা যথাযথভাবে কাজে লাগাতে হবে।” তিনি ইসলামী আন্দোলনের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় নেতাকর্মীদের সর্বদা প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান।

তিনি আরও বলেন, “ইসলামী আন্দোলনের পথ কখনোই সহজ ছিল না। যুগে যুগে যারা দ্বীনের দাওয়াত দিয়েছেন, তাদের ওপর নেমে এসেছে নানা জুলুম-নির্যাতন। নবী-রাসূলগণও এর ব্যতিক্রম ছিলেন না। তাই সকল বাধা-বিপত্তি উপেক্ষা করে ইসলাম প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে।”

জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আতিকুল ইসলাম রাসেল বলেন, “ইকামাতে দ্বীনের দায়িত্ব কোনো নফল ইবাদত নয়; বরং আল্লাহর খলিফা হিসেবে এটি প্রত্যেক মুসলমানের ওপর অপরিহার্য দায়িত্ব।” তিনি প্রতিটি ঘরে দাওয়াত পৌঁছে দেওয়া, গণসম্পৃক্ততা বৃদ্ধি এবং মানুষের সমস্যার সমাধানে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সভাপতির বক্তব্যে মাওলানা এ কে এম আফজাল হোসেন বলেন, সদস্যদের মাঝে রাজনৈতিক ও আদর্শিক চেতনা জাগ্রত করতে এ ধরনের সমাবেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পরে দোয়ার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।