বর্তমানে দেশে যে আন্দোলন চলছে সেটিকে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার লড়াই মন্তব্য করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, অনেকেই বর্তমান আন্দোলনকে ক্ষমতায় টিকে থাকার ও ক্ষমতায় যাওয়ার লড়াই বলে থাকেন। কিন্তু আমরা পরিষ্কার বলে দিতে চাই এটি আমাদের হারিয়ে যাওয়া গণতন্ত্রকে পুনরায় প্রতিষ্ঠিত করার লড়াই। দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব টিকিয়ে রাখার লড়াই।
মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে মাহমুদুল হাসান নিজামী রচিত ‘আমি আমার বিচার চাই’ কাব্য গ্রন্থের প্রকাশনা উপলক্ষে তিনি এসব কথা বলেন।
‘প্রয়োজনে আরও কঠোর হব’ প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া এমন বক্তব্যের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তার এই বক্তব্য আমাদের আরও উদ্বিগ্ন করে তুলে। এর সঙ্গে নির্বাচন কমিশন যখন যোগ করেন যে, উপজেলা নির্বাচনে বিশৃঙ্খলাকারীদের কোনো রকম ছাড় দেওয়া হবে না । তখন দেশের জনগণ বুঝতে পারে যে আগামী উপজেলা নির্বাচন নিয়েই সরকারের এই অবস্থান।
বর্তমান রাষ্ট্রের পুরোটাই স্বৈরতন্ত্রের কবলে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, দেশে এখন স্বাধীনভাবে মত প্রকাশের অধিকার নেই। যারা নিজেদের মত প্রকাশ করতে চায়, তারা প্রতিনিয়ত হামলা-মামলার ভয়ে থাকতে হয়। কিন্তু এই দেশ কারো পৈত্রিক সম্পত্তি নয়, এদেশ ১৬ কোটি মানুষের।
মির্জা ফখরুল আওয়ামী লীগের কড়া সমালোচনা করে বলেন, দলটি অনেক পুরনো হলেও রাজনৈতিকভাবে তাদের যে ঐতিহ্য ছিল তা অনেক আগেই হারিয়ে ফেলেছে। তারা ক্ষমতায় আসলেই তাদের আসল রূপ প্রকাশিত হয়।
৫ জানুয়ারির একদলীয় নির্বাচন গোটা বিশ্বের কাছে তামাসার নির্বাচনে পরিণত হয়েছে দাবী করে তিনি বলেন, নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে আওয়ামী লীগের ভরাডুবি হত, বিগত উপজেলা নির্বাচনেই তার বড় প্রমাণ।
তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের নির্বিচারে হত্যা-গুম বন্ধ করুন।
দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, হতাশাই শেষ কথা নয়, প্রতি রজনীর পরে আসে নতুন সুর্যোদয়। দেশের গণতন্ত্রের স্বার্থে নিজেদের অধিকার টিকিয়ে রাখার জন্য এই আন্দোলনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে।
বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক একাডেমীর সভাপতি হুমায়ুন কবীর বেপারীর সভাপতিত্বে প্রকাশনা অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট সাংবাদিক ও কলামিস্ট সাদেক খান, বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য শামছুজ্জামান দুদু, বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আসাদুজ্জামান রিপন, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক খায়রুল কবীর খোকন, যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুস সালাম আজাদ প্রমুখ।
[b]ঢাকা, এমএইচ, ৪মার্চ (টাইম নিউজবিডি.কম)//এসএইচ[/b]
গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার লড়াই চলছে: ফখরুল
বর্তমানে দেশে যে আন্দোলন চলছে সেটিকে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার লড়াই মন্তব্য করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, অনেকেই বর্তমান আন্দোলনকে ক্ষমতায় টিকে থাকার ও ক্ষমতায় যাওয়ার লড়াই বলে থাকেন। কিন্তু আমরা
মতভেদ ও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ গণতন্ত্রের সৌন্দর্য : রাষ্ট্রপতি
রাজনীতিতে মতপার্থক্য, গঠনমূলক সমালোচনা এবং শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ গণতন্ত্রের স্বাভাবিক ও গুরুত্বপূর্ণ অংশ বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। প্রতিহিংসার রাজনীতি গণতান্ত্রিক পরিবেশের বিকাশে বাধা সৃষ্টি করে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
গণতন্ত্র চর্চার মাধ্যমেই বিকশিত হয় : রাষ্ট্রপতি
গণতন্ত্রকে কার্যকর ও টেকসই করতে নিয়মিত চর্চার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, গণতন্ত্র কোনো একদিনে তৈরি হয় না; নিয়মিত চর্চার মধ্য দিয়ে ধাপে ধাপে এটি একটি সংস্কৃতিতে পরিণত হয়।
রাষ্ট্রপতি গণতন্ত্রকে রক্ষা করাটাই এখন সবচেয়ে বড় কাজ
গণতন্ত্রকে রক্ষা করাটাই এখন আমাদের সবচেয়ে বড় কাজ ও দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সিলেট সিটি কর্পোরেশন প্রাঙ্গণে নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত অতিথি হিসেবে বক্তব্যকালে তিনি এ কথা বলেন।
বিবৃতিতে বিরোধীদলীয় নেতা গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি ভুলে গেছে বিএনপি
১৫ সেপ্টেম্বর ‘আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস’ উপলক্ষে সোমবার গণমাধ্যমে দেয়া বিবৃতিতে বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, গণতন্ত্র কেবল সরকার গঠনের কোনো সাময়িক প্রক্রিয়া নয়, বরং এটি মানুষের মৌলিক অধিকার, সামাজিক ন্যায়বিচার, বাকস্বাধীনতা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার প্রধান ভিত্তি। গণতন্ত্র সুরক্ষিত থাকলে একটি সমাজ স্বৈরাচার, শোষণ ও বৈষম্য থেকে মুক্ত থেকে অগ্রগতির পথে এগিয়ে যেতে পারে।
রাষ্ট্রপতি গণতন্ত্রকে বাঁচাতে হলে গণমাধ্যমকেও বাঁচাতে হবে
গণতন্ত্রকে বাঁচাতে হলে গণমাধ্যমকেও বাঁচাতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, গণতন্ত্রের মূল শক্তি হচ্ছে গণমাধ্যম। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও সুশাসনের স্বার্থে গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।















