বিগত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর বর্তমান সরকার ও ইসির অধীনে সব ধরনের নির্বাচন বর্জন করার ঘোষণা দেয় বিএনপি।
কিন্তু পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে দলটি। আগামী দিনে স্থানীয় সরকারসহ সব নির্বাচনেই অংশ নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
নীতিনির্ধারকদের এমন ঘোষণার পরপরই সিটি কর্পোরেশনের সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীরা নড়েচড়ে বসেন। সিটি নির্বাচনে বিএনপি অংশ নিচ্ছে- এমনটা ধরে নিয়ে তারা প্রস্তুতি শুরু করেছেন।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঠিক এক বছর পর জানুয়ারিতে ফের মুখোমুখি হচ্ছে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি।
ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে নৌকা ও ধানের শীষের জমজমাট লড়াই দেখার অপেক্ষায় দেশবাসী।
যুক্তরাষ্ট্র যাওয়ার আগে আলাপকালে ইশরাক বলেন, দল যদি নির্বাচনে অংশ নেয় এবং আমাকে মনোনয়ন দেয়, তাহলে আমি নির্বাচনে লড়ব। আমার বাবা অবিভক্ত ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ছিলেন। তাই বাবার অভিজ্ঞতাকেও আমি কাজে লাগাতে পারব বলে জানান।
জানা গেছে, আগামী নির্বাচনে দক্ষিণে মির্জা আব্বাসের নির্বাচন করার সম্ভাবনা কম। তবে দলের হাইকমান্ড শেষ পর্যন্ত তাকে মনোনয়ন দিলে তিনি নির্বাচন করতে পারেন।
দক্ষিণে মির্জা আব্বাসের চেয়ে তার স্ত্রী আফরোজা আব্বাসকে মনোনয়ন দেয়ার পক্ষে দলের একটি অংশ। তাদের মতে, বিগত নির্বাচনে আব্বাসকে মনোনয়ন দেয়া হলেও তার অুনপস্থিতিতে মাঠ পর্যায়ে যোগ্যতার স্বাক্ষর রাখেন আফরোজা।
আব্বাস দম্পতি ছাড়া দক্ষিণে মেয়র পদে নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন সাদেক হোসেন খোকার ছেলে প্রকৌশলী ইশরাক হোসেন খোকা। এর আগে সর্বশেষ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের প্রার্থী হয়েছিলেন। কিন্তু জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের স্বার্থে তিনি আর নির্বাচনে অংশ নেননি।
দক্ষিণে মেয়র পদে আলোচনায় আছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি হাবিব উন নবী খান সোহেল।
তার ঘনিষ্ঠদের কাছে মেয়র পদে নির্বাচন করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। দলের নীতিনির্ধারকদের কারও কারও সঙ্গেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছেন সোহেল।
সম্প্রতি মহানগর দক্ষিণের একাধিক সভায়ও নেতাকর্মীরা তাকে মেয়র পদে নির্বাচন করার প্রস্তাব দেন। তবে পুরো বিষয়টি হাইকমান্ডের সিদ্ধান্তের ওপর ছেড়ে দিয়েছেন তিনি। দল মনোনয়ন দিলে নির্বাচন করতে প্রস্তুত আছেন বলে জানান হাবিব উন নবী সোহেল।
২০১৫ সালের ২৮ এপ্রিল ঢাকা সিটি উত্তরের ভোটে অংশ নিয়েছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টুর ছেলে দলের নির্বাহী কমিটির সদস্য তাবিথ আউয়াল।
ওই নির্বাচনে নতুন মুখ হিসেবে উত্তরের ভোটারদের আকৃষ্ট করতে সক্ষম হন তিনি। বিএনপি শেষ মুহূর্তে নির্বাচন বর্জন করলেও তাবিথ আউয়াল কয়েক লাখ ভোট পান।
এবিষয় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আমরা সিটি নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে ইতিবাচক চিন্তাভাবনা করছি। তবে প্রার্থীর ব্যাপারে এখনও চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
এএস





