মক্কায় ক্রেন দুর্ঘটনায় আহত হাজীদের এ্যাম্বুলেন্সে করে হজ পালনের ব্যবস্থা করেছে সৌদি সরকার। প্রত্যেকটি এ্যাম্বুলেন্সে একজন ডাক্তার ও নার্সের ব্যবস্থাও করা হয়েছে।
গত ১১ সেপ্টেম্বর মক্কার মসজিদে হারামে নির্মাণাধীন ভবনের ক্রেন ভেঙ্গে পড়লে ১০৭ জন নিহত ও ২৩৮ জন আহত হন। দেশটির আল আরাবিয়া পত্রিকা নিহতদের মধ্যে ২৫ জন বাংলাদেশি, ১৫ জন পাকিস্তানি, ২৩ জন মিসরীয়, ৬ জন মালয়েশিয়ান, একজন করে আলজেরিয়া ও আফগানিস্তানের নাগরিক বলে দাবি করেছিল।
জানা যায়, মাগরিবের নামাজের কিছুক্ষণ আগ থেকে ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয়ে নামাজের পর ঝড়-বৃষ্টির তীব্রতা বাড়তে থাকে। সন্ধ্যা ৭টার দিকে ক্রেনটি হঠাৎ ছাদ ভেঙে মসজিদে পড়লে তার নিচে চাপা পড়ে কমপক্ষে ১০৭ জন নিহত, আহত হন ২৩৮জন। যাদের অধিকাংশই ছিল হাজী।
মসজিদুল হারামে নামাজিদের সংখ্যা প্রতি বছর বৃদ্ধি পাওয়ায় গত বছর সৌদি কর্তৃপক্ষ মসজিদ সম্প্রসারণের কাজ শুরু করে। যে ক্রেনটি মসজিদের ছাদ ভেঙ্গে পরে, সেটা সম্প্রসারণের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছিল।
দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবার প্রতি ১০ লাখ রিয়াল বা দুই কোটি সাত লাখ ৬০ হাজার টাকা, চিরস্থায়ী ক্ষতির শিকার বা পঙ্গুত্ব বরণকারীদেরও সমপরিমাণ, আর আহতদের প্রত্যেককে পাঁচ লাখ রিয়াল বা এক কোটি তিন লাখ ৮০ হাজার টাকা করে দেয়ার ঘোষণা দেয় সৌদি সরকার।
এছাড়া আহতদের পরিবার প্রতি দু’জন সদস্যকে আগামী বছর বিনা খরচে হজ করানোর প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়। আহত হওয়ায় যারা এবছর হজে অংশ নিতে পারবেন না, তাদের আগামী বছর বিনা খরচে হজের সুযোগ দেয়া হবে জানান।
সরকারি বিবৃতিতে আশ্বস্ত করা হয়, ওই দুর্ঘটনায় বিচারের দাবিতে হতাহতের পরিবার আইনের আশ্রয় নিলেও ক্ষতিপূরণের অর্থপ্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হবেন না তারা।
এমএ/ এআর





