'মানুষ দু’টি নিয়ামতের ব্যাপারে বড়ই উদাসীন তা হলো সুস্থতা ও অবসর' (বুখারি) ।সুস্থ শরীর ও সুন্দর মন পরস্পর পরিপূরক। ইসলাম একটি সুস্থ-সক্ষম মানবগোষ্ঠীর ধারণা দেয়। শারীরিক সক্ষমতার সঙ্গে নামাযের সামর্থ্য প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ্ বলেন ‘তোমরা আল্লাহেক স্মরণ কর, দাঁড়িয়ে, বসে এবং শুয়ে’ (নিসা: ১০৩)। রমজানের রোজা পালন থেকেও অসুস্থ ও মুসাফিরকে অবকাশ দিয়ে বলা হয়েছে ‘রুগ্ন বা মুসাফির যদি কেহ রয়/পালন করিও রোজা অন্য সময়’ (কাব্যানুবাদ, বাকারা: ১৮৪)। অনুরূপ হজ্বের বিধান সম্পর্কে বলা হয়েছে ‘বায়তুল্লাহ’য় হজ্ব করা ফরজ তারই জন্য, যে সেখানে পৌঁছার (দৈহিক-আর্থিক) সামর্থ্য রাখে’(আল-ইমরান: ৯৭)।
ঈদের আনন্দ প্রকাশে রণ কৌশল প্রদর্শন একটি ইসলামি ঐতিহ্য। আরবের ‘হাবশি’দের এমন প্রদর্শনী প্রিয়নবী (স.) পছন্দ করতেন, হযরত আয়েশাকে (রা.) নিয়ে এমন প্রদর্শনী দেখে বললেন ‘হ্যাঁ, এটা খুবই উত্তম আনন্দ... ’ (বুখারি) । ঈদের আনন্দ প্রকাশের জন্য রণ কৌশল প্রদর্শনকে ‘তাগ্লীস’ বলা হয়। অর্থাৎ দফ বাজানো, তরবারি চালনা, বল্লম চালনা ইত্যাদি। এ প্রসঙ্গে হযরত কায়েশ বিন সায়াদ (রা.) বলেন ‘রাসুলের (স.) যুগের যেসব বস্তু ছিল, সেগুলোর সবই আমি এখনো দেখছি... শুধু ‘তাগলীস’ ছাড়া’ (ইবনু মাজাহ) ।
বর্তমানে প্রচলিত খেলাধুলায় ইসলামি মূল্যবোধের প্রতিফলন প্রায়ই পরিলক্ষিত হয় না। যদিও অনেক সময় দেখা যায় অনেক ক্রীড়াবিদ নিজের কৃতিত্বে সিজদায় লুটিয়ে পড়েন অথবা সমর্থকগণ দলের সাফল্য কামনায় মুনাজাত করেন। অথচ এসবের আড়ালে ইবাদতের আবেগের চেয়েও জাগতিক উল্লাস থাকে বেশি। তাই যেসব খেলার মধ্যে জীবনের ঝুঁকি, নামাযের প্রতি অবহেলা, অন্য ধর্মের অনুসরণ, সময় ও অর্থের অপচয়, জুয়া-বাজিধরা, রঙখেলা, গ্যালারিতে উদ্দাম নৃত্য-গান, নারী-পুরুষের অবাধ মেলামেশা, উল্কী আঁকা ইত্যাদির বাহুল্য থাকে, তা একজন ঈমানদারের জন্য অশোভনীয়। কেননা, শরীর-স্বাস্থ্যের বিকাশের যেসব কাজকর্মের মাধ্যমে ফরজ লঙ্ঘন অথবা হারামের অনুষঙ্গ তৈরি হয় ঐসব কিছুই ইসলামের দৃষ্টিতে হারাম ও কবিরা গুনাহ্।
বিনোদন:
বিনোদন বলতে আমরা বুঝিঃ মনের মধ্যে সন্তুষ্টি, প্রশান্তি, খুশী ইত্যাদীর উদ্রেক করা ঘটানো। অন্য কথায় অবসর সময়ে এমন কাজ করা যাতে অন্তরে প্রশান্তি ভাব বিরাজ করে, অবসাদ দূর করে।
ইসলামী বিনোদন:
বিনোদন বলতে এমন কিছু ক্ষতিমুক্ত কর্মকাণ্ডকে বুঝায় যা কোনো ব্যক্তি, দল বা শ্রেণি স্বতঃস্ফূর্তভাবে ইসলামী নিয়মনীতির উপর ভিত্তি করে আপন আপন অবসর সময়ে মানব মনের ভারসাম্যতা ও একঘেয়েমীভাব কাটানোর জন্য পালন করে থাকে।
ইসলামে বিনোদনের হুকুম:
আনাস বিন মালিক রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন- নবী করীম সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন আমাকে ডাকার সময় বললেনঃ “হে দু’কান ওয়ালা”। বর্ণনাকারী বলেনঃ অর্থাৎ রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সাথে হাসি তামাসা সূচক বিনোদনের জন্য একথাটি বলেছিলেন। (তিরমিযী: ১৯৯২)।
আয়েশা (রা:) বলেন- আমি আমার খেলনা মেয়েদের নিয়ে খেলতাম, আমার সাথে আমার কিছু মেয়ে সাথী ছিল যারা আমার সাথে খেলত, যখনি রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার কাছে প্রবেশ করতেন তারা পালিয়ে যেত, কিন্তু রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে আমার কাছে নিয়ে আসতেন। (বুখারী: ৬১০৩)
আয়েশা (রা:) বলেন- কোন এক সফরে আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথী ছিলাম, তিনি আমার সাথে হাটার প্রতিযোগিতা করলেন তাতে আমি তাকে ছাড়িয়ে গেলাম, কিন্তু পরবর্তীতে যখন আমার শরীরে গোস্ত ধারণ করলাম তখন তার সাথে প্রতিযোগিতা করলাম কিন্তু তখন তিনি আমাকে ছাড়িয়ে গেলেন। তারপর তিনি বললেনঃ 'এটা ঐটার বিপরীতে' (আবু দাউদ: ২৫৭৮)।
আয়েশা (রা:) বলেন- আল্লাহর শপথ আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আমার কক্ষের দরওয়াজায় দাড়ানো দেখেছি, যখন আবিসিনিয়ার লোকগণ আল্লাহর রাসূলের মাসজিদে তাদের যুদ্ধের অস্ত্র নিয়ে খেলছিল। তিনি আমাকে তার চাদর দিয়ে ঢেকে রাখছিলেন যাতে আমি তাদের দিকে তাকাতে পারি। তারপর আমার জন্য অবস্থান করতেই থাকতেন যতক্ষণ না আমি নিজে থেকে ফিরে যেতে না চাইতাম (মুসলিম: ৮৯২)।
উমর ইবনে আব্দুল আজীজ বলেন- ‘মুসলমান খেলাধুলা, তামাসা, হাসি ঠাট্টা করবে এটা কোনো দোষের ব্যাপার নয়। তবে এটা যেন তার অভ্যাস, চরিত্র ও প্রকৃতিতে পরিণত না হয়ে পড়ে। কারণ তখন সে কঠোরতার স্থানে ছাড় দেবে আর কাজের সময় বেহুদা কর্মকান্ডে লিপ্ত হয়ে পড়বে’।
ইসলামে বিনোদনের বিশেষত্ব:
ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবন ব্যবস্থা। আকীদা ও শরীয়ত উভয়েরই নাম। এ দুটি থেকেই ইসলামের যাবতীয় মুলনীতি, আচার আচরণ, ব্যবহারবিধি নির্দিষ্ট হওয়া উচিত। তাই ইসলামে বিনোদনের কি কি বিশেষত্ব রয়েছে তার কিছু বর্ণনা দেয়া প্রয়োজন। যার মধ্যে অন্যতম হচ্ছেঃ
বিনোদন ইসলামে আল্লাহর ইবাদত হিসাবে গণ্য হতে পারে। আল্লাহ তা’আলা বলেন- “বলুন আমার নামাজ, আমার কুরবানী, আমার জীবন, আমার মরণ একমাত্র রাব্বুল আলামীন আল্লাহর জন্য”। আর নিঃসন্দেহে বিনোদন একজন মুসলিমের জীবনের একটা আংশ। সুতরাং তা ইবাদত থেকে খালি হতে পারেনা। যদি বান্দা তার নিয়্যতকে পরিশুদ্ধ করে এবং শরীয়ত গর্হিত কোন কাজ না করে। কেননা এর মাধ্যমে বান্দা তার বাস্তব কাজ যথা আল্লাহর অন্যান্য প্রধান নেক কাজ করার জন্য উৎসাহ-উদ্দীপনা লাভ করে।
আবুদ্দারদা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন- আমি কখনো কখনো সামান্য খেলাধুলা জাতীয় বিষয়ের দিকে ঝুঁকে পড়ি যাতে করে তা আমার জন্য পরবর্তীতে সঠিক কাজ করার জন্য প্রেরণা যোগাতে পারে।
বাস্তব কর্মকাণ্ড অগ্রাধিকার পাবে:
যখন কোনো বাস্তব কর্মকাণ্ডের সাথে বিনোদনমূলক কর্মকাণ্ডের বিরোধিতা হয় তখন বাস্তব কর্মকাণ্ড অগ্রাধিকার পাবে। আবু বারযাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন- “রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এশার পূর্বে ঘুমানো এবং তার পরে অকারণ জাগ্রত থেকে গল্পগুজব করা পছন্দ করতেননা” (সহীহ্ আল-বুখারী: ৫৯৯)। কারণ নামাজ পড়া ফরজ, আর গল্প করা বিনোদনের অংশ। তাই গল্পের কারণে যাতে নামাজের ক্ষতি না হয় সেদিকে গুরুত্ব দিয়েছেন।
এমন বিনোদন না করা যাতে অপর ভাইকে কথায় বা কাজে, শারিরীক বা আর্থিক অথবা মানসিকভাবে কষ্ট দেয়া হয়ঃ আল্লাহ তা’আলা বলেন- “যারা মুমীন পুরুষ ও মুমীন নারীকে কোন অপরাধ না করলেও পীড়া দেয়, তারা অপবাদ ও স্পষ্ট গুনাহর বোঝা বহন করল”। (সূরা আহযাব: ৫৮) অনুরূপভাবে রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- “মুসলিম হলো ঐ ব্যক্তি যার হাত ও জিহবা থেকে মুসলিমগণ নিরাপদ থাকলো” (বুখারী, মুসলিম)।
এমন বিনোদন যেন না হয় যাতে রয়েছে গান বাজনাঃ কারণ রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- “আমার উম্মাতের মধ্যে কিছু লোক এমন হবে যারা ব্যভিচার, রেশমী (সিল্ক), মদ ও গান বাদ্য হালাল করতে চাইবে” (সহীহ্ আল-বুখারী: ৫৫৯০)।
বিনা কারণে প্রাণির ছবি তোলার মত বিনোদন যেন না হয়। কারণ রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে কেউ দুনিয়াতে কোন ছবি বানালো কিয়ামতের দিন তাকে সে ছবিতে রূহ দেয়ার নির্দেশ দেয়া হবে অথচ সে তা করতে পারবেনা ” (সহীহ্ বুখারী: ৫৯৬৩)।
এমন কোনো বিনোদন না করা যাতে চতুষ্পদ জন্তুদের মধ্যে লড়াই সৃষ্টি করতে হয়। কারণ ইবনে আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম জন্তুদের মধ্যে লড়াই বাধাতে নিষেধ করেছেন” (তিরমিযী: ১৭০৮, ১৭০৯)।
এমন প্রতিযোগীতা না করা যাতে সরাসরি হারাম যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে হয়ঃ যেমন দাবা, কারণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি দাবা খেলল সে যেন শুকরের গোস্তে হাত ডুবাল” (সহীহ্ মুসলিম: ২২৬০)।
আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ “হে ঈমানদারগণ! অবশ্যই মদ, জুয়া, মূর্তি, লটারীর তীর, এসব কেবল অপবিত্র বিষয়, শয়তানের কাজ, সুতরাং তোমরা তা ত্যাগ কর। যেন তোমরা সফলতা লাভ করতে পার” (সূরা আল-মায়িদাহ্: ৯০)।
শরীয়ত যেভাবে পোষাক নির্ধারণ করে দিয়েছে তার বাইরে না যাওয়া। সুতরাং কোন মহিলার পোষাক কোন পুরুষ পরতে পারবেনা, অনুরূপভাবে কোন পুরুষের পোষাক কোন মহিলা পরতে পারবেনা। কারণ রাসুল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “আল্লাহ তা’আলা পুরুষের বেশধারী মহিলাকে, আর মহিলার বেশধারী পুরুষকে লানত করেছেন” (হাদীস)।
রাসূলের যুগের বিনোদনের স্বরূপঃ
সমাজের প্রত্যেককে জ্বিহাদের জন্য প্রস্তুত করা। যেমন- ঘোড় দৌড় প্রতিযোগিতা, ধরাধরি, তীর নিক্ষেপ ইত্যাদীর মাধ্যমে তাদের তৈরী কর। সে উদ্দেশ্যে রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজেও ঘোড় দৌড়ে অংশগ্রহণ করেছিলেন, ইবনে উমর তার সাথে প্রতিযোগিতা করেছিলেন (সহীহ্ মুসলিম)।
মুসলিম সমাজের সবাইকে একে অপরের ভালবাসার উপর তৈরী করা, কাছে টেনে আনা। রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদল সাহাবার পাশ দিয়ে গেলেন যারা তীরন্দাযী করছিল, রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে বললেনঃ হে ইসমাঈলের বংশধর তোমরা তীরন্দাযী কর; কেননা তোমাদের পিতা তীরন্দায ছিলেন। তোমরা তীরন্দাযী কর, আমি অমুক গ্রুপের সাথে, অন্য গ্রুপ তিরন্দাযী করা ছেড়ে দিলে রাসুল কারণ জানতে চাইলে তারা বলল, আপনি যে তাদের মাঝে? তিনি বললেনঃ তীর নিক্ষেপ কর, আমি তোমাদের সবার সাথে” (সহীহ্ বুখারী)।
দ্বীনের মধ্যে প্রশস্তি আছে, তাতে রয়েছে মানুষের বিকাশের সুযোগ এটা প্রমাণ করার জন্য। এর প্রমাণ পাই আমরা রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার স্ত্রী আয়েশার খেলনা কন্যা ও তার মেয়ে সাথীদের খেলার সুযোগ করে দেয়ার মধ্যে। কারণ রাসুল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন বলেছিলেনঃ “যাতে করে ইহুদীরা এটা জানতে পারে যে, আমাদের দ্বীনের মধ্যে কোন প্রকার প্রশস্তি রয়েছে, আমি প্রশস্ত সরল দ্বীন নিয়ে প্রেরিত হয়েছি”।
রাসূলের যুগের বিনোদনের কিছু নমুনা ও উদাহরণঃ
হাটার প্রতিযোগিতাঃ
রাসূল এবং আয়েশার মধ্যে প্রতিযোগিতা।
উবায়দুল্লাহ ও আব্দুল্লাহসহ আব্বাসের ছেলেদের রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতেন- “যে আমার কাছে আগে আসতে পারবে তাকে এত এত দেয়া হবে”। (মুসনাদে আহমাদ: ১/২১৪) এভাবে তার প্রতিযোগিতা করতেন।
সাহাবাদের মধ্যে হাটার প্রতিযোগিতা খুব নৈত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার ছিল, যেমন সালামা ইবনে আক’ওয়া (রাদিয়াল্লাহু আনহুর) ঘটনা। (সহীহ্ মুসলিম, কিতাবুল জিহাদ ওয়াচছিয়ার) আব্দুল্লাহ ইবনে যুবাইর ও উমার (রাদিয়াল্লাহু আনহুমার) মাঝে প্রতিযোগিতার ঘটনা। (সুনানুল কুবরা লিল বাইহাকী: ১০/২৯)
ঘোড় দৌড় ও তার প্রতিযোগিতাঃ
রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজে সে ঘোড় দৌড়ের ব্যবস্থা করতেন, তাতে অংশ নিতেন। (সহীহ্ মুসলিম, কিতাবুল ইমারাত) এমনকি প্রতিযোগীকে পুরস্কারও দিতেন (মুসনাদে আহমাদ: ২/৯১)।
অনুরূপভাবে উটের প্রতিযোগিতাও হত, তাতে রাসূল নিজেও অংশ নিতেন। (সহীহ্ বুখারী, কিতাবুর্ রিকাক, বাবুত্তাওয়াদু)।
ধরাশায়ী করাঃ
রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজেও রোকানাকে ধরাশায়ী করেছিলেন (সুনানে আবু দাউদ, কিতাবুল লিবাস)।
অনুরূপভাবে অহুদ যুদ্ধে অংশগ্রহণ করার জন্য দু’ তরুণ সাহাবীর এ ধরাশায়ী করায় প্রবৃত্ত হওয়া।
তীরন্দাযী করাঃ
এ ব্যাপারে পূর্বেই কিছু হাদীস উল্লেখ করা হয়েছে।
সাঁতার কাটাঃ
এ ব্যাপারে দুর্বল হাদীস রয়েছে।
উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে অনেক বাণী এসেছে।
সাতার কাটার দ্বারা শরীর পুষ্ট হয়।
বাচ্চাদের খেলনাঃ
দোলনা জাতীয় খেলা।
বাচ্চাদের বানানো খেলা।
কেএইচ





