কৃত্রিম সঙ্কট তৈরি করে যাত্রীদের হজে যাওয়ার ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ‘ক্ষতিগ্রস্ত’ হজ এজেন্সির মালিকগণ। এ সংকট নিরসনে সরকারকে ১০ জুন পর্যযন্ত সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন তারা।

অন্যথায় আগামী ১১ জুন বৃহস্পতিবার বায়তুল মোকারমের উত্তর গেটে ২০ হাজার হজ যাত্রীদের নিয়ে বিক্ষোভ সমাবেশের ঘোষণা দিয়েছে সংগঠনটি।

পূর্বঘোষিত কর্মসূচী অনুযায়ী জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বৃহস্পতিবার দুপুরে অবস্থান কর্মসূচি থেকে নতুন এ কর্মসূচী ঘোষণা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের মোল্লা।

একই দাবিতে ৭ জুন রবিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সংবাদ সম্মেলন করবেন বলেও জানান তিনি।

কাদের মোল্লা বলেন, ‘২০১৫ সালে বাংলাদেশ থেকে সরকারিভাবে ১০ হাজার, আর বেসরকারিভাবে ৯১ হাজার ৭৫৮ জন হজ পালন করতে পারবেন।

তিনি বলেন, আমাদের জানানো হয়, প্রথমে ফি দিতে হবে এবং পরে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। কিন্তু ১৯ ফেব্রুয়ারি আমাদের জানানো হয়, ২১ জানুয়ারি থেকে রেজিস্ট্রেশন শুরু হয়েছে, যারা আগে রেজিস্ট্রেশন করবে তারাই হজে যেতে পারবে। বেসরকারিভাবে কোটা পূর্ণ হয়ে গিয়ে অটোমেটিক সিস্টেম বন্ধ হয়ে যাবে।’

তিনি বলেন, ‘এরপর ২০-২১ ফেব্রুয়ারি শুক্র ও শনিবার সরকারি ছুটি থাকায় ২২ ফেব্রুয়ারি এজেন্সির মালিকরা অফিসে এসে দেখেন রেজিস্ট্রেশন সিস্টেম বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে ৫০০ এজেন্সির ৩০ হাজার হজযাত্রীর রেজিস্ট্রেশন করা যায়নি। পয়লা মার্চ রেজিস্ট্রেশন ফি জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিগত কয়েক বছরে হজযাত্রী বেড়ে যাওয়ার কোনো সংবাদ আমাদের জানা নেই। কিন্তু এবার হঠাৎ এত যাত্রী বেড়ে যাওয়ার যৌক্তিক কারণ আমাদের বোধগম্য নয়।’

এখানে কৃত্রিম সঙ্কট সৃষ্টি করে প্রকৃত যাত্রীদের হজে যাওয়া থেকে বাধা প্রদান করা হচ্ছে বলে মনে করেন তিনি।

মানববন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন- মাওলানা ফজলুর রহমান ও মাওলানা শফিক উদ্দিন প্রমুখ।

এমকে