টঙ্গীর তুরাগতীর বিশ্ব ইজতেমায় আগত লাখ লাখ মুসল্লির পদভারে মুখরিত হয়ে উঠেছে। শিল্পনগরী টঙ্গী এখন যেন ধর্মীয় নগরীতে পরিণত হয়েছে। শনিবারও টঙ্গী অভিমুখী বাস, ট্রাক, ট্রেন, লঞ্চসহ বিভিন্ন যানবাহনে ছিল মানুষের ভিড়। বিভিন্ন জেলার মুসল্লিরা গিয়ে ইজতেমা ময়দানে নিজ নিজ খিত্তায় অবস্থান নিচ্ছেন।
প্রতিবছর বিশ্ব ইজতেমার (প্রথম ধাপের) দ্বিতীয় দিন বাদ আসর ইজতেমা ময়দানে কনের অনুপস্থিতিতে ও সম্মতিতে যৌতুকবিহীন বিয়ের আয়োজন করা হলেও এবার থাকছে না এই আয়োজন।
বিশ্ব ইজতেমার আয়োজক কমিটির সদস্য প্রকৌশলী মো. গিয়াস উদ্দিন জানান, বিগত বছরগুলোর মতো এবার বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে যৌতুকবিহীন বিয়ে হচ্ছে না।
ইজতেমা ময়দানে যৌতুকবিহীন বিয়ে অনুষ্ঠিত হলে তা কেবল এই ময়দানে আসা তাবলিগি সদস্যরা ও মুসল্লিরা জানতে পারেন। এলাকার লোকজন এমনকি অনেক স্বজনরাও তা জানতে পারেন না।
এ জন্য এবার থেকে ইজতেমা ময়দানে যৌতুকবিহীন বিয়ের জন্য তালিকাভুক্ত হলেও তাদের নিজ নিজ এলাকায় গিয়ে মসজিদের ইমাম-আলেম ওলামাদের উপস্থিতিতে ওই বিয়ের আয়োজন করতে বলা হয়েছে। এবার তাই মাঠে ওই বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা নেই।
উল্লেখ্য, আগে বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় দিন বাদ আসর ইজতেমার বয়ান মঞ্চের পাশেই বসত যৌতুকবিহীন বিয়ের আসর। কনের অনুপস্থিতিতে ও সম্মতিতে, বর এবং কনেপক্ষের লোকজনের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হতো ওই বিয়ে। বিয়ের পর বয়ান মঞ্চ থেকেই মোনাজাতের মাধ্যমে নবদম্পতিদের সুখ-সমৃদ্ধিময় জীবন কামনা করে দোয়া করা হতো।
দ্বিতীয় দিনের বয়ানকারীদের নাম-
প্রথম দফার দ্বিতীয় দিন শনিবার বাদ ফজর ভারতের মাওলানা ইসমাইল হোসেন গোদরার, বাদ জোহর ভারতের মাওলানা মো. জামসেদ, বাদ আসর ভারতের মাওলানা মো. ইউসুব আলী ও বাদ মাগরিব ভারতের খোরশেদ আলম বয়ানকারীর তালিকায় রয়েছেন বলে জানিয়েছেন বিশ্ব ইজতেমার মুরব্বি মো. গিয়াস উদ্দিন।
এমকে





