শুক্রবার সকালেই মা দুর্গার পূজা সমাপন ও দর্পন বির্সজনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে শারদীয় দুর্গোৎসবের নবমী ও বিজয়া দশমীর আনুষ্ঠানিকতা। সন্ধ্যায় প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় এই উৎসব।

শুক্রবার ভোর থেকে মাঝরাত পর্যন্ত রাজধানীসহ সারাদেশের পূজা মণ্ডপে মা দুর্গাকে বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন ভক্তরা। মণ্ডপগুলোতে উৎসবের আমেজের ঘাটতি ছিল না। মায়ের দর্পন বিসর্জন হওয়ায় অনেক ভক্তের মনে দাগ কেটে গেছে।

এদিকে রামকৃঞ্চ মিশনের উদ্যোগে আজ শনিবার সকাল ৭টায় শুরু হয়েছে মাকে বিসর্জনের আনুষ্ঠানিকতা। সকাল ৯টা ৫৮ মিনিটের মধ্যে পূজা সমাপন ও দর্পন বিসর্জনের আনুষ্ঠানিকতা শেষ। সন্ধ্যায় প্রতিমা বিসর্জন দেয়া হবে।

দুর্গা পূজা উপলক্ষে ষষ্ঠীতে রাজধানীর শাখারি বাজার এলাকায় মেলা বসেছে।একের পর এক প্রতিমার মণ্ডপে ছেয়ে গেছে ওই এলাকার বাজার প্রাঙ্গণ। ঢাক, ঢোল, শঙ্খের আওয়াজ, শাস্ত্রীয় সংগীত পরিবেশন মুগ্ধ হয়ে উপভোগ করছেন ভক্তরা। বাড়িতে ফিরছেন প্রয়োজনীয় ও শখের কেনাকাটা করে।

শনিবার বেলা ৩টার দিক থেকে ঢাকেশ্বরী মন্দির প্রাঙ্গণ থেকে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ ও মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির আয়োজনে শোভাযাত্রা বের হবে।রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক প্রদিক্ষণ শেষে বুড়িগঙ্গা তীরে পৌঁছাবে শোভাযাত্রা।

সারাদেশেও বিকেলে শোভাযাত্রা শেষে মা দুর্গার প্রতিমাকে নদী বা পকুরে বিসর্জন দেয়া হবে।

শারদীয় এ উৎসবকে কেন্দ্র করে দুঃস্থদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ, খাদ্য বিতরণ, রামায়ন পাঠ, কীর্তনসহ শাস্ত্রীয় সংগীতের মতো নানা কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রতিটি মণ্ডপ প্রাঙ্গণ রঙবেরঙের আলোয় সাজানো রয়েছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার শেষ হয় মহাষ্টমী ও কুমারী পূজা। রামকৃঞ্চ মিশনে সকাল সাড়ে ১০টায় শুরু হয় কুমারী পূজা। মাতৃভাবে কুমারী কন্যাকে জীবন্ত প্রতিমা করে তাতে জগজ্জননীর উদ্দেশ্যে শ্রদ্ধা নিবেদন করাই কুমারী পূজার মূল লক্ষ্য।

এআর