চলতি বছর ওমরাহ কার্যক্রম পরিচালনার অনুমোদন পেয়েছে আরো ৪৭টি এজেন্সি। এর আগে, ২১ ডিসেম্বর ৭০টি ওমরাহ এজেন্সির তালিকা প্রকাশ করেছিল ধর্ম মন্ত্রণালয়।
ধর্ম মন্ত্রণালয় ২৫ জানুয়ারি ৪৭ এজেন্সির তালিকা বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সৌদি সরকারের কাছে পাঠিয়েছে।
ওমরাহ ভিসার মাধ্যমে হাজার হাজার বাংলাদেশি সৌদি আরবে রয়ে গেছেন, এজন্য গত বছরের এপ্রিল থেকে এ ভিসা বন্ধ করে দেয় সৌদি আরব। এর পরিপ্রেক্ষিতে ধর্ম মন্ত্রণালয় ওমরাহ এজেন্সিগুলোর বিরুদ্ধে তদন্ত করে।
ওমরাহের নামে মানব পাচারের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় গেল বছর ১৮ নভেম্বর ৯৫টি এজেন্সির বিরুদ্ধে শাস্তি ঘোষণা করে ধর্ম মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে ৬৯টি এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল, জামানত বাজেয়াপ্তসহ জরিমানা করা হয়েছে। শুধু জরিমানা করা হয়েছে ২৬টি এজেন্সিকে।
বাংলাদেশের উদ্যোগের পরিপ্রেক্ষিতে ১৪ ডিসেম্বর ওমরাহ ভিসা খুলে দেওয়ার কথা জানিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেয় সৌদি সরকার। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ২০ ডিসেম্বর ধর্ম মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়ে তা জানায়।
২১ ডিসেম্বর ধর্মমন্ত্রী মতিউর রহমান বলেন, ‘ওমরাহর নামে কেউ যেন মানব পাচারে জড়িত না হয় সেজন্য আমরা ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে সরাসরি মনিটরিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
এমএম





