বিশ্ব ইজতেমায় যোগ দেওয়া আরো দুই মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে। বাদ ফজর ভারতের মাওলানা ইসমাইল গোদরার বয়ানের মধ্য দিয়ে টঙ্গীর তুরাগ তীরে তিন দিনব্যাপী বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বের দ্বিতীয় দিন শুরু হয়েছে। ইজতেমা ও আশপাশ এলাকায় রয়েছে ঘন কুয়াশা। তবে শীতের তীব্রতা কম।
শনিবার সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত টঙ্গীর আকাশে সূর্য দেখা যায়নি। এদিকে বিশ্ব ইজতেমায় যোগ দিতে মুসল্লিদের আসা অব্যাহত রয়েছে।
টঙ্গী হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার দিবাগত রাত সোয়া ১টার দিকে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান নোয়াখালীর কবিরা থানার সুন্দরপুরের কালা মিয়ার ছেলে আবুল বাশার (৬০)।
আর বুকে ব্যাথা অনুভব করলে সিলেটের জালালাবাদ থানার টোকের বাজার এলাকার মৃত. মফিজ উদ্দীনের ছেলে আলা উদ্দিনকে (৬৫) রাত সোয়া ২টার দিকে টঙ্গী হাসপাতালে নেওয়া হয়।
পরে সেখান থেকে তাকে ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে রেফার্ড করা হয় তাকে। আজ ভোর ৪টার দিকে তাকে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান তিনি।
এ নিয়ে বিশ্ব ইজতেমার প্রথমপর্বে ৫ মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে।
এ ছাড়া শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত টঙ্গী হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫ হাজার ২৬ জনকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ভর্তি করা হয়েছে ২৪ জনকে, রেফার্ড করা হয়েছে ১৫ জনকে। স্বাস্থ্য বিভাগের ১৯টি ভ্রাম্যমাণ আদালত ইজতেমা মাটের আশপাশ এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫১ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছে।
এদিকে ইজতেমা ময়দানের পাশে মন্নুনগর এলাকায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন ৫৪টি ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাস্প খুলে মুসল্লিদের স্বাস্থ্য সেবা দিচ্ছেন।
টঙ্গী হাসপাতালের আরএমও ডা. পারভেজ হোসেন জানান, বিশ্ব ইজতেমায় আগত মুসল্লিদের টঙ্গী হাসপাতালসহ ছয়টি কেন্দ্রে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে। হাসপাতাল সিভিল সার্জনের কক্ষ থেকে নেট ক্যাম্প এবং সিসি টিভির মাধ্যমে স্বাস্থ্য সেবা মনিটরিং করা হচ্ছে।
তিনি জানান, চিকিৎসা নিতে আসা মুসল্লিদের মধ্যে বেশির ভাগই শ্বাসকষ্ট, সর্দি-কাশি ও বার্ধক্যজনিত রোগী।
এমকে





