বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজে যাওয়ার খরচ বেড়েছে। এবার হজে যেতে একজন যাত্রীর ব্যয় হবে ৩ লাখ ৩২ হাজার ৮৬৮ টাকা। হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (হাব) অভিযোগ, ‘অযৌক্তিকভাবে বিমান ভাড়া’ বৃদ্ধি করা হয়েছে। আজ সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানায় হাব।
তবে, অযৌক্তিকভাবে বিমান ভাড়া বৃদ্ধির অভিযোগ করে হাব মহাসচিব এম শাহাদাত হোসাইন তসলিম জানিয়েছেন, বিমান ভাড়া কমলে তারা হজ প্যাকেজের রেটও কমিয়ে দেবেন। এজন্য তাঁরা প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়েছেন।
বাংলাদেশ থেকে এবার হজ পালনে যেতে পারবেন এক লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন। যাদের মধ্যে এক লাখ ২০ হাজার জনই যাবেন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায়। সরকারি সর্বনিম্ন হজ প্যাকেজের সঙ্গে মিল রেখে বেসরকারি সর্বনিম্ন হজ প্যাকেজ নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ লাখ ৩২ হাজার ৮৬৮ টাকা, যা গতবারের চেয়ে ১৩ হাজার ৫১৩ টাকা বেশি।
আগামীকাল ৬ মার্চ থেকে বেসরকারি হজ যাত্রীদের এক লাখ ৩৮ হাজার টাকা দিয়ে নিবন্ধন করতে হবে। আর ১৫ এপ্রিলের মধ্যে বাকি টাকা পরিশোধ করতে হবে বলে জানায় হাব।হাবের মহাসচিব এম শাহাদাত হোসাইন তসলিম বলেন, ‘৩ লাখ ৩২ হাজার ৮৬৮ টাকা সর্বনিম্ন ব্যয় ধরেছি।’
এক লাখ ৩৮ টাকা বিমান ভাড়া হওয়ায় হজে যাওয়ার খরচ বেশি বলে মনে করেন হাব নেতারা। প্রতিবেশী ভারতে গতবারের চেয়ে বিমান ভাড়া কমানো হলেও বাংলাদেশে অযৌক্তিকভাবে অতিরিক্ত বিমানভাড়া ধরা হয়েছে বলে জানান হাব মহাসচিব।
এম শাহাদাত হোসাইন তসলিম বলেন, ‘হাব এবং ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় যুগপৎভাবে এই অযৌক্তিকভাবে বিমানভাড়া বৃদ্ধির বিরুদ্ধে আমরা কথা বলেছি। আমরা প্রত্যাশা করছি কমবে। যেটা কমবে তা প্যাকেজ থেকে কমানো হবে।’
তবে যেসব হজ এজেন্সির অনিয়ম, বিশৃঙ্খলার জন্য গত বছর যাত্রী ভোগান্তি হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কিনা, এমন প্রশ্নের সদুত্তর দিতে পারেননি হাব নেতারা।
এমআর





