তবে এটি মাইক্রোসফটের আরেকটি ফিচার ‘রিকল’-এর মতো নয়। রিকল নির্দিষ্ট সময় পরপর স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্ক্রিনশট নেয়। কোপাইলট ভিশনের কাজ অনেকটা ভিডিও কলে স্ক্রিন শেয়ার করার মতো। ব্যবহারকারী চাইলে কোপাইলট অ্যাপে থাকা চশমা আইকনে ক্লিক করে নির্দিষ্ট ডেস্কটপের স্ক্রিন টুলটির সাথে শেয়ার করতে পারবেন।
মাইক্রোসফটের দাবি, কোপাইলট ভিশন কনটেন্ট বিশ্লেষণ করতে, অন্তর্দৃষ্টি দিতে এবং ব্যবহারকারীর প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে। এটি উচ্চ স্বরে নির্দেশনা দিয়েও সহায়তা করতে পারে।
ব্যবহারকারীরা এর মাধ্যমে নিজের সৃষ্টিশীল প্রকল্পে উন্নতির পরামর্শ, জীবনবৃত্তান্ত (রেজুমে) ভালো করার গাইডলাইন বা নতুন কোনো গেম খেলার সময় সহায়তা পেতে পারেন।
প্রথম দফায় কোপাইলট ভিশন চালু হয়েছিল ওয়েব ব্রাউজারে ব্যবহারের জন্য, বিশেষ করে মাইক্রোসফট এজে। এখন ফিচারটি আরো বিস্তৃত হচ্ছে। এমনকি স্মার্টফোনের ক্যামেরা দিয়েও যেটা দেখা যাচ্ছে, সে বিষয় নিয়েও প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে কো-পাইলট ভিশন।