মার্টিনেজের সঙ্গে সাক্ষাতের অপেক্ষায় ছিলেন জাতীয় দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া। কিন্তু সংশ্লিষ্টদের আন্তরিকতার অভাবে উপক্ষিত থাকলো জামালের সেই ইচ্ছাও।
ভারতের ব্যাঙ্গালুরুতে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ খেলে বাংলাদেশ ফুটবল দল আজ দেশে ফিরেছে। হায়দরাবাদ ও মুম্বাই হয়ে দুই ফ্লাইটে দুপুর সোয়া একটায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান ফুটবলাররা। একই সময়ে বিমানবন্দরে ঢাকা ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন মার্টিনেজ।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে মার্টিনেজ বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা হন। বাংলাদেশ ফুটবল দল বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বের হওয়ার পথে ছিল তখন। কিছু সময় মার্টিনেজের জন্য অপেক্ষা করেও সাক্ষাৎ পাননি বাংলাদেশ ফুটবল দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া।
বিমানবন্দর থেকে বাংলাদেশের অনেক ফুটবলার নিজ গন্তব্যে রওনা দিয়েছিলেন। জামাল ভূঁইয়া টিম অ্যাটেনডেন্ট মো. মহসীনকে নিয়ে মার্টিনেজকে দেখতে বর্হিগমনের দিকে যান। মার্টিনেজকে স্বল্প দূরত্ব থেকে দেখলেও বাংলাদেশের অধিনায়ক ফ্রেমবন্দি হওয়া কিংবা পরিচিত হওয়ার সুযোগ পাননি।
জাতীয় দলের টিম অ্যাটেনডেন্ট মো. মহসিন বলেন, ‘অনেকে চলে গেলেও জামাল ভাইয়ের মার্টিনেজের সঙ্গে দেখা করার ইচ্ছে ছিল। তিনি আমাকেও সঙ্গে নেন। আমরা অপেক্ষা করছিলাম এবং কয়েকজনকে বলেছি, বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক অপেক্ষা করছেন। মার্টিনেজ গাড়ি থেকে নামার পরপরই তাকে ভেতরে নিয়ে যাওয়া হয়।'
বিমানবন্দরে উপস্থিত সংশ্লিষ্টদের মন্তব্য, সফর সংশ্লিষ্টরা একটু আন্তরিক হলেই দুই-তিন মিনিটের জন্য মার্টিনেজের সঙ্গে জামাল ভূঁইয়ার সাক্ষাৎ হতে পারত।
সোমবার ভোর সোয়া পাঁচটায় ১১ ঘন্টার এক সফরে ঢাকা আসেন মার্টিনেজ। সফর শেষ করে বিকেল সাড়ে চারটায় কলকাতার উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন তিনি।
কলকাতার বিমানে ওঠার আগে ইনস্টাগ্রাম বার্তায় মার্টিনেজ লিখেন, ‘নেক্সট ভেনচার ও ফান্ডেডনেক্সটের সঙ্গে বাংলাদেশে অসাধারণ একটা সফরে এসেছিলাম আমি। এ দেশের মানুষের যত্ন, ভালোবাসা ও অতুলনীয় আতিথেয়তা আমার হৃদয় জয় করেছে। আমি নিকট ভবিষ্যতে এই সুন্দর দেশটিতে আবারও আসতে চাই।’
এন












